বন্ধ ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা, বিকল্প পৌষমেলা করবে রাজ্য সরকার,

9th December 2023 12:51 pm Country News
বন্ধ ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা, বিকল্প পৌষমেলা করবে রাজ্য সরকার,


বন্ধ শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। কিন্তু বিকল্প পৌষমেলা করবে রাজ্য সরকার৷ রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, জেলাশাসক বিধান রায় এবং সভাধিপতি কাজল শেখের তত্ত্বাবধানে একটি বৈঠক শুক্রবার একটি বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, প্রথমে মেলার আয়োজন করার জন্য বিশ্বভারতীর কাছ থেকে পূর্বপল্লীর মাঠ চেয়ে আবেদন করবে রাজ্য সরকার৷ মাঠ না পেলে, জেলা পরিষদের ডাকবাংলো মাঠেই হবে বিকল্প পৌষমেলা।

বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এ বারও হচ্ছে না পৌষমেলা। ২০১৯ সালের পর আর বসেনি মেলা৷ বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মেয়াদ শেষের পর সকলেই আশা করেছিলেন, এ বার শীতে বোধহয় পৌষমেলা ফিরবে শান্তিনিকেতনে। কিন্তু, মেলা না হওয়ায় হতাশ সকলেই৷ এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, গত দু’বছরের মতো এ বারও বিকল্প পৌষমেলার আয়োজন করা হবে৷ সেই মতো বোলপুর মহকুমা শাসকের দফতরের সভাকক্ষে একটি বৈঠক হয়৷ তাতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্ষুদ্র-মাঝারি ও কুটির শিল্পমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, জেলাশাসক বিধান রায়, জেলা সভাধিপতি কাজল শেখ, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (বোলপুর) সুরজিৎকুমার দে, এসডিপিও নিখিল অগরওয়াল, জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক অরিত্র চক্রবর্তী, সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী-সহ অন্যান্য আধিকারিকেরা। আহ্বান জানানো হয়েছিল মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট, বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতি ও বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চকেও। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বীরভূম জেলাশাসক। তিনি জানান, বিকল্প পৌষমেলার জন্য বিশ্বভারতীর কাছে পূর্বপল্লীর মাঠ চেয়ে আবেদন করা হবে৷ মাঠ পাওয়া গেলে সেখানেই হবে মেলা। মাঠ না পাওয়া গেলে বোলপুর ডাকবাংলো মাঠে হবে বিকল্প পৌষমেলা। প্রসঙ্গত, গত দু’বছরও এই মাঠেই বিকল্প পৌষমেলা হয়েছিল৷ জেলাশাসক বলেন, ‘‘বিকল্প পৌষমেলা হবেই৷ ৭ পৌষ থেকেই শুরু হবে মেলা৷’’





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।