এবার ভারতেও পাওয়া গেল চীনা নিউমোনিয়ার জীবাণুর সন্ধান ছড়াল আতঙ্ক

8th December 2023 10:40 am Country News
এবার ভারতেও পাওয়া গেল চীনা নিউমোনিয়ার জীবাণুর সন্ধান  ছড়াল আতঙ্ক


আচমকাই দেশজুড়ে সৃষ্টি হল নয়া আতঙ্কের। চীনের অজানা নিউমোনিয়া ছড়িয়ে পড়তে পারে ভারতেও, এহেন আশঙ্কা আগেই প্রকাশ করেছিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এবার সম্ভবত সেই আশঙ্কাই সত্যি হতে চলেছে। অন্তত বিখ্যাত বিজ্ঞান পত্রিকা ল্যানসেটের রিপোর্টে তেমনটাই দাবি করা হয়েছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই দিল্লী এইমসে চীনা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ৭ জন রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।পাশাপাশি টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এইমসে মোট ৭ জন এম-নিউমনি ব্যাকটিরিয়া আক্রান্ত রোগী রয়েছেন। এই ব্যাকটিরিয়াটিই চীনে নিউমোনিয়ার প্রকোপের জন্য দায়ী। ল্যানসেটের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এপ্রিল মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে এই ৭ জন এম নিউমনি আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে। এদের মধ্যে একজনের ব্যাকটিরিয়া ধরা পড়েছে পিসিআর টেস্টে। এলিজা টেস্টে বাকি ৬ জনের ব্যাকটিরিয়া ধরা পড়েছে প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, চীনে করোনার মতোই মহামারীর আকার নিতে চলেছে অজানা নিউমোনিয়া। শীতের শুরুতেই বাড়ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া এবং শ্বাসকষ্টজনিত নানা রোগ। চিনে এই রোগের প্রকোপ দেখা দিতেই তাই বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বিভিন্ন হাসপাতালের পরিকাঠামো ঠিক করার কথা জন্য নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কেন্দ্রের ওই নির্দেশ পাওয়ার পরেই একাধিক রাজ্য সতর্কতা জারি করেছে। সংবাদ সংস্থার খবর, শিশু, বয়স্ক, অন্তঃসত্ত্বা এবং দীর্ঘদিন ধরে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ যাঁরা খাচ্ছেন, তাদের জন্য এই রোগ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। হাসপাতালে ভর্তি হতেও পারেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই রাজস্থান, কর্ণাটক, গুজরাট, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা ও তামিলনাড়ু, এই ছয়টি রাজ্যকে সতর্ক করেছে কেন্দ্র।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।