রোনাল্ডোর ডায়েট রুটিন তৈরি করেন নাসার বিজ্ঞানীরা? অবাক করা তথ্য দিলেন রামিজ রাজা

24th November 2023 7:51 pm Country News
 রোনাল্ডোর ডায়েট রুটিন তৈরি করেন নাসার বিজ্ঞানীরা? অবাক করা তথ্য দিলেন রামিজ রাজা


বিশ্বফুটবলের অন্যতম মহাতারকা। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক গোলের মালিক। তাঁর মত হতে চান অনেকে। তাঁর জীবনযাত্রা, তাঁর খাওয়া দাওয়া, তাঁর স্টাইল স্টেটমেন্ট সবকিছুই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বয়স ৩৯ ছোঁয়ার মুখে। কতদিন আর খেলবেন জানা নেই, তবে এখনও তাঁকে নিয়ে কৌতূহলের অন্ত নেই। এবার সেই কৌতূহল যেন আরও বাড়িয়ে দিলেন রামিজ রাজা।সম্প্রতি পাকিস্তানের একটি টিভি শোয়ে এক সাক্ষাত্‍কারে প্রাক্তন পিসিবি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন যে, রোনাল্ডোর ডায়েট রুটিন নাকি নাসার বিজ্ঞানীরা তৈর করেন।এক সাক্ষাত্‍কারে রামিজ রাজা বলেন, ''ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর খাওয়া দাওয়া, ওর ডায়েট যে চার্ট তা নাসার বিজ্ঞানীরা বানিয়ে থাকেন। ওর শরীর তাই এত ফিট। খাওয়া দাওয়া ভীষণ নিয়মমাফিক করে থাকেন তিনি।''উল্লেখ্য, পাঁচবারের ব্যাঁল ডি অর জয়ী রোনাল্ডো চলতি বছরই সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসেরে যোগ দিয়েছেন। মোট ৪২ ম্যাচ খেলে সৌদির ক্লাবটির হয়ে ৩৬ গোল করেছেন। এছাড়াও চলতি সৌদি প্রো লিগে ৩৮ পেরোন এই ফুটবলার ১২ ম্যাচ খেলে মোট ১৩ গোল করেছেন। পর্তুগাল মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে মতান্তরে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসাবে গণ্য করা হয়। ২০১৬ সালে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর নেতৃত্বেই পর্তুগাল উয়েফা ইউরোর খেতাব নিজেদের ঘরে এনেছিল।আন্তর্জাতিক ফুটবলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। তিনি পর্তুগালের হয়ে এখনও পর্যন্ত ২০৩টি ম্যাচ খেলেছেন, যা রেকর্ড। রোনাল্ডোর গোল করার দক্ষতা নিয়ে কোনওদিনও কোন প্রশ্ন উঠতে পারে না। তিনিই প্রথম ফুটবলার হিসাবে ক্লাব ও দেশ মিলিয়ে সর্বোচ্চ স্তরে ৮০০টি গোল করেছেন। রোনাল্ডো মহাদেশের সেরা ক্লাব টুর্নামেন্টে মোট ১৮৩টি ম্যাচ খেলেছেন। এটিও সর্বকালীন রেকর্ড। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে 'মিস্টার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ' বলেও ডাকা হয়ে থাকে। মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি ম্যান ইউনাইটেডের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অভিষেক ঘটান।সর্বাধিক ম্যাচ খেলার পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সর্বাধিক ১৪০টি গোলও করেছেন রোনাল্ডো। পাঁচবার এইটি টুর্নামেন্টটি জিতেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।