বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় নাম উঠল দাঁতনের যুবকের কি করেছেন তিনি?

12th November 2023 1:00 pm Country News
বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় নাম উঠল দাঁতনের যুবকের কি করেছেন তিনি?


বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় দাঁতনের যুবক! তাঁর কৃতিত্ব জানলে আপনি অবাক হবেন। আপনি নিশ্চয়ই উপলব্ধি করছেন, দিন দিন বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি। তাতে আমরা দিন দিন আধুনিক হচ্ছি। আমাদের জীবন যাপন আরও উন্নত হচ্ছে। তা সম্ভব হচ্ছে বিজ্ঞানীদের নিরলস গবেষনায়।আপনার রাজ্যেরই এক যুবক গবেষণায় গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিচ্ছে। তার কৃতিত্বের কথা শুনলে গর্বে তো আপনার বুক ভরে উঠবেই। তিনি দাঁতনের যুবক সুমন্ত সাহু। গোটা বিশ্ব আজ তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি গৌরবান্বিত করেছেন আমাদের রাজ্য তথা দেশকে। ঠিক কি করেছেন তিনি? চলুন জেনে নেওয়া যাক এই প্রতিবেদনে।ইলেকট্রিক গাড়ির সুপার ক্যাপাসিটর তৈরি করে ফেলেছেন দাঁতনের যুবক সুমন্ত সাহু। তার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। এজন্য তাঁকে কুর্নিশ জানাচ্ছে গোটা বিশ্ব। আপনার মনে প্রশ্ন জাগবে, কি এই সুপার ক্যাপাসিটর। আপনি নিশ্চয়ই জানেন, বর্তমানে দূষণহীন ইলেকট্রিক গাড়ির চাহিদা বাজারে বেড়েই চলেছে। ভারতের বাজারেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ইলেকট্রিক চালিত গাড়ির সংখ্যা। এই গাড়ি কতক্ষণ চড়বে তা নির্ভর করে ক্যাপাসিটরের ওপর। গাড়ির রিচার্জেবল ব্যাটারির গতানুগতিক ক্যাপাসিটারকে আরও উন্নত করতে বিশ্বজুড়ে নানা গবেষণা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ঠিক তখন সুপার ক্যাপাসিটর বানিয়ে ফেলেছেন সুমন্ত। সেই কাজের জন্যই বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের তালিকায় নাম তুলে ফেলেছেন তিনি।সুপার ক্যাপাসিটর ব্যাটারির ইলেকট্রোড নির্মাণে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের তালিকায় দু'বার নাম তুললেন সুমন্ত। আপনাকে জানানো যাক, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রকাশিত বিশ্বের মাত্র দুই শতাংশ বিজ্ঞানীদের নাম রয়েছে এই তালিকায়। তার মধ্যে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন এই ভারতীয় এই যুবক। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনে জন্ম সুমন্তর। বাবা ছিলেন পদার্থবিদ্যার শিক্ষক। ছোট থেকেই মেধাবী সুমন্তর ইচ্ছে ছিল দেশ-দশের নাম উজ্জ্বল করার। দাঁতন হাইস্কুল থেকে পড়াশুনা করেন তিনি। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।