বাঙালি মেয়ে জিতলেন ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি বুক প্রাইজ বিদেশে সাহিত্যে সেরা যাদবপুর প্রাক্তনী

3rd November 2023 9:45 am Country News
বাঙালি মেয়ে জিতলেন ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি বুক প্রাইজ বিদেশে সাহিত্যে সেরা যাদবপুর প্রাক্তনী


বিদেশের মাটিতেও সাহিত্যে সেরা পুরস্কার জিতে নিলেন এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত। ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি বুক প্রাইজ জিতলেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত লেখিকা নন্দিনী দাস। তাঁর লেখা বই 'কোর্টিং ইন্ডিয়া: ইংল্যান্ড, মুঘল ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য অরিজিনস অফ এম্পায়ার'-এর জন্য এই সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি বুক অ্যাওয়ার্ডে মনোনীতি হওয়ার জন্য শংসাপত্র ছাড়াও পাবেন আর্থিক পুরস্কারও।অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনা করেন নন্দিনী। বছর উনপঞ্চাশের নন্দিনী তাঁর কাহিনির বুনন তৈরি করেছেন স্যর টমাস রো'কে কেন্দ্র করে। সেই স্যর টমাস রো, যিনি সতেরো শতকে ভারতে এসেছিলেন ব্রিটিশদের দূত হয়ে। বইটি ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে লন্ডনে। এরপরেই তাকে ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি বুক প্রাইজে মনোনীত করা হয়।ব্রিটিশ অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান চার্লস ট্রিপ জানিয়েছেন, নন্দিনী তাঁর লেখা বইটিতে ভারত ও ব্রিটিশ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, আধিকারিক এবং বণিকদের প্রসঙ্গ তুলে সেই সময়কার এক অজানা তথ্য মেলে ধরেছেন। সেই সঙ্গে মুঘল রাজনীতির উত্থান ও পতন খুব সুন্দরভাবে নন্দিনী তাঁর বইয়ে তুলে ধরেছেন।ব্রিটিশ অ্যাকাডেমির ১১ তম বর্ষে সম্মানিত করা হল এক ভারতীয় বংশোদ্ভুত লেখিকাকে। ব্রিটিশ অ্যাকাডেমির প্রেসিডেন্ট জুলিয়া ব্ল্যাক বলেছেন, ভাল লেখার মূল্যায়ন করে ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি। সেখানে সভ্যতা, সংস্কৃতি আলাদা করে বিচার করা হয় না। নন্দিনীর লেখা বইটিতে ঐতিহ্যের দিকগুলি আলোকপাত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জুলিয়া।নন্দিনী জন্মেছেন ভারতে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী। সেখান থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক হন তিনি। এরপর তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ করেন। পরবর্তীকালে কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে থেকে এম.ফিল এবং পিএইচডি করেন। লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক হিসেবে বহু বছর কর্মরত ছিলেন নন্দিনী। পরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শুরু করেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।