২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে কোন কোন দেশ খেলবে? বিশ্বকাপের মাঝেই ঘোষণা আইসিসির

29th October 2023 7:51 pm Country News
২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে কোন কোন দেশ খেলবে? বিশ্বকাপের মাঝেই ঘোষণা আইসিসির


পরের চ্যাম্পিয়ন্স হবে ২০২৫ সালে। আটটি দলকে নিয়ে হবে এই প্রতিযোগিতা। কোন কোন দল সুযোগ পাবে তা বিশ্বকাপের মাঝেই জানিয়ে দিল ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।বিশ্বকাপে বাবর আজ়মেরা যতই হারুক চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির টিকিট কেটেই ভারতে এসেছেন তাঁরা। আইসিসির এক দিনের ক্রমতালিকায় এক নম্বর দল থাকার জন্য নয়।২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক হওয়ার সুবাদে সরাসরি খেলবে পাকিস্তান। বাকি সাতটি দলকে বেছে নেওয়া হবে এ বারের বিশ্বকাপের ফলাফল থেকে।বিশ্বকাপের চার সেমিফাইনালিস্ট ছাড়াও আরও তিনটি দল সুযোগ পাবে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলার। লিগ পর্বের শেষে পয়েন্ট তালিকায় পঞ্চম থেকে সপ্তম স্থানে থাকা দল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলার সুযোগ পাবে। বাবরেরা প্রথম সাতটি দলের মধ্যে থাকলে সুযোগ পাবে লিগ পর্বে অষ্টম স্থানে শেষ করা দল। ২০২১ সালে হওয়া আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে এমনই সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তই বহাল রয়েছে। ২০৩১ সাল পর্যন্ত এই নিয়মেই বেছে নেওয়া হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আটটি দলকে।শনিবার পর্যন্ত বিশ্বকাপের পয়েন্ট তালিকায় নবম এবং দশম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ড। এই হিসাবে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দেখা যাবে না শাকিব আল হাসান এবং জস বাটলারদের। তবে এই হিসাব পরিবর্তন হতেই পারে বিশ্বকাপের লিগ পর্বের শেষে। তাই বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও সব দলই চাইবে প্রথম আট দলের মধ্যে থাকার।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।