আবার কোন নয়া তথ্য দিল ISRO চন্দ্রযান সম্পর্কে?

28th October 2023 10:14 am Country News
আবার কোন নয়া তথ্য দিল ISRO চন্দ্রযান সম্পর্কে?


গত আগস্টেই চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করে ইতিহাস রচনা করেছিল চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan-3)। ল্যান্ডার বিক্রম (Lander Vikram) চন্দ্রপৃষ্ঠকে স্পর্শ করার পর, সেই ধাক্কায় উড়েছিল ২.০৬ টন চাঁদের মাটি। বলা যায় পাথর ও মাটির মিশ্রণ। যা তৈরি করেছিল ধুলোর ধোঁয়াশা। এমনই তথ্য পেশ করল ইসরো।

গত ২৩ আগস্টে চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল বিক্রম। তৈরি হয়েছিল ইতিহাস। পরে তার পেটের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসে প্রজ্ঞান। আর অবতরণের মুহূর্তের কথা জানাতে গিয়ে শুক্রবার নয়া তথ্য দিল ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা। জানিয়ে দিল সব মিলিয়ে ২.০৬ টন চন্দ্রপৃষ্ঠের উপাদান উড়েছিল সেই সময়। যা ছড়িয়ে ছিল ১০৮.৪ বর্গমিটার অঞ্চলে।

প্রসঙ্গত, চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের পরেও আরও একবার সফট ল্যান্ডিং করেছিল বিক্রম। চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে লাফিয়ে উঠে প্রায় ৪০ সেন্টিমিটার হাওয়ায় ভেসেছিল সেটি। তারপর ফের নিরাপদে নেমে পড়ে চাঁদের মাটিতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম সফট ল্যান্ডিংয়ের মতোই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিক্রমের এই দ্বিতীয় ল্যান্ডিং। কারণ এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেই আগামী দিনে চাঁদ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে এনে পরীক্ষা করা যেতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।