আদালতে কেঁদে ফেললেন কাউন্সিলর! পুজোর মুখে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় নির্দেশ

17th October 2023 6:38 pm Country News
আদালতে কেঁদে ফেললেন কাউন্সিলর! পুজোর মুখে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় নির্দেশ


উত্‍সবের মরশুমে বিধাননগরের বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে হবে না। জানিয়ে দিলেন বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায়।তাঁর মন্তব্য, “দুর্গাপুজোর সময় কারও মাথার উপর থেকে ছাদ চলে যাবে, এটা আদালত চায় না।” বিচারপতি আরও জানান, পুজো মিটে গেলে এই নিয়ে আদালত পরবর্তী নির্দেশ দেবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ওই নির্মাণ ভাঙা হবে।ফ্ল্যাট মালিকদের উদ্দেশে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য, “প্রোমোটার ঠকাতে পারে। কিন্তু আদালত ঠকাতে পারে না। মানবিকতা বলে তো জিনিস আছে। আপনাদের বাড়ি এখনই ভাঙছি না। আপনারা ঠকেছেন, এটা দেখার পরে আমি মত পরিবর্তন করছি।”মঙ্গলবার ওই বেআইনি ১৬টি পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। পরে তাঁদের তিনি জানান, ফ্ল্যাটের বকেয়া টাকা প্রোমোটারকে দিতে হবে না।প্রোমোটারদের উদ্দেশে বিচারপতি জানান, ফ্ল্যাট মালিকদের সব টাকা ফেরত দিতে হবে। পুজোর পরে এই নিয়ে ইডিকে তদন্তভার দেওয়া হতে পারে।দু’জন প্রোমোটার টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ না দেওয়ার জন্য বিচারপতিকে অনুরোধ করেন। বিচারপতির মন্তব্য, একটা ইট লাগাতে গেলে পুরসভার অনুমতি লাগে। এতই ক্ষমতা যে চারতলা ভবন তৈরি হয়ে গেল, কেউ কিছু জানল না!বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে কেঁদে ফেললেন ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চামেলি নস্কর। ওই এলাকার মানুষদের অবস্থা আদালতের কাছে বলতে গিয়ে কাঁদলেন কাউন্সিলর। বিচারপতির কাছে তাঁর অনুরোধ, ওই মানুষদের জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করা হোক।ওই ১৬টি পরিবার নিয়ে কী করা যায়, তা নিয়ে বিধাননগর পুরসভার মেয়র, চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলরের সঙ্গে আলোচনা করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি। তিনি জানান, আগামী ২৪ নভেম্বরের মধ্যে সব দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, আদালতে তা রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে। আপাতত ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভাঙার নির্দেশ স্থগিত থাকবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।