-
প্রথম সফর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) ইম্ফলে পৌঁছেছেন। ২০২৩ সালের মে মাসে শুরু হওয়া জাতিগত অশান্তির পর এটাই তাঁর প্রথম মণিপুর সফর।
-
অশান্তির পটভূমি
মণিপুরে ২০২৩ সালের মে মাসে কুকি-জো উপজাতিদের “ট্রাইবাল সলিডারিটি মার্চ”-এর পর মেইতেই সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জেরে ব্যাপক হিংসা ছড়িয়ে পড়ে।
-
ক্ষয়ক্ষতি ও বাস্তুচ্যুতি
সহিংসতায় প্রায় ৬০,০০০ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয় এবং আনুমানিক ২৫০ জনেরও বেশি প্রাণ হারান। ঘরবাড়ি, ধর্মীয় স্থান ও অবকাঠামো ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
-
প্রকল্প উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর
প্রধানমন্ত্রী আজ প্রায় ₹৮,৫০০ কোটির উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। এর মধ্যে চুরাচাঁদপুরে ₹৭,৩০০ কোটি এবং ইম্ফলে ₹১,২০০ কোটি টাকার প্রকল্প রয়েছে।
-
উদ্বাস্তু শিবিরে সাক্ষাৎ
মোদি চুরাচাঁদপুর জেলায় বাস্তুচ্যুত মানুষদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এখানেই সহিংসতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।
-
বার্তা: শান্তি ও সমন্বয়
সফরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকার “শান্তি, পুনর্মিলন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন”-এ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
-
কঠোর নিরাপত্তা
ইম্ফল ও চুরাচাঁদপুরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে পরিবর্তন করা হয় এবং তিনি সড়কপথে চুরাচাঁদপুরে পৌঁছান।
-
বিরোধীদের সমালোচনা
কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলি মোদির সফরকে “খুব দেরিতে আসা প্রতীকী পদক্ষেপ” বলে আখ্যা দিয়েছে। তাদের দাবি, এই সফর অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
-
রাষ্ট্রপতির শাসনাধীন মণিপুর
চলমান অশান্তির কারণে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে মণিপুরে রাষ্ট্রপতির শাসন চলছে। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী এন. বিরেন সিং পদত্যাগ করেন।
-
উত্তর-পূর্বে বিস্তৃত কর্মসূচি
মণিপুর সফরের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী উত্তর-পূর্বের আরও কয়েকটি রাজ্যে বড় প্রকল্প উদ্বোধন করছেন। এর লক্ষ্য অবকাঠামো উন্নয়ন ও অশান্ত অঞ্চলগুলিকে নতুন করে গড়ে তোলা।