ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা যাত্রীদের, এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে হঠাৎ আগুন লাগায় তীব্র আতঙ্ক

31st August 2025 1:17 pm Country News
ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা যাত্রীদের, এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে হঠাৎ আগুন লাগায় তীব্র আতঙ্ক


সাতসকালেই ঘটে গেল এক ভয়াবহ কাণ্ড। দিল্লি থেকে ইনদওরগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি যাত্রীবাহী বিমানে হঠাৎ আগুন লেগে যায় বলে জানা গিয়েছে। বিমানের যাত্রীরা আচমকা ধোঁয়া বেরোতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গেই পাইলট পরিস্থিতি সামলাতে জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন।

সূত্রের খবর, টেক-অফের কিছুক্ষণের মধ্যেই ইঞ্জিনে প্রযুক্তিগত ত্রুটি ধরা পড়ে এবং সেখান থেকেই আগুন ছড়াতে শুরু করে। বিমানে তখন শতাধিক যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ক্রু সদস্যদের তৎপরতা ও পাইলটের দক্ষতার জোরে বিমানের নিরাপদে দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ সম্ভব হয়।

যাত্রীদের সবাইকে অক্ষত অবস্থায় নামিয়ে আনা হয়েছে বলে এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে। বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেলেও যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট। বিমানটি আপাতত পরীক্ষার জন্য মেরামত কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।