"আরজি কর কাণ্ড: তিলোত্তমার মৃত্যুতে আরও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা, মন্তব্য প্রধান বিচারপতির"

21st January 2025 12:09 pm Country News


আরজি কর কাণ্ডে সঞ্জয় রাইয়ের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তিলোত্তমার পরিবার এবং আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, এই নৃশংস ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন। তবে প্রশ্ন উঠছে, যদি আরও কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে কী তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে না? এই প্রসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত মন্তব্য করেছেন।

 

তিনি বলেছেন, "পর্দার আড়ালে যদি কেউ থেকে থাকেন, তবে সে নির্ভয়ে থাকতে পারবে না।" অর্থাৎ, যাদের নাম এখনো প্রকাশ হয়নি, তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে। আইন অনুসারে, যদি নতুন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়, কিংবা কোনো নতুন ব্যক্তি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণিত হয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলতে পারে। সিবিআইয়ের তদন্তের পাশাপাশি আরও প্রমাণ সংগ্রহ হলে, অন্য জড়িতদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে। 

 

এই কাণ্ডে সিবিআই যেহেতু তদন্ত করছে, তাদের কাজ হবে ঘটনার সমস্ত প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করা এবং সমস্ত সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।