দই কবাব খেলেও ওজন বৃদ্ধি হবে না, শুধু রন্ধন প্রণালীতে বদল আনলেই হবে

2nd October 2024 9:08 am Country News
দই কবাব খেলেও ওজন বৃদ্ধি হবে না, শুধু রন্ধন প্রণালীতে বদল আনলেই হবে


ওজন ঝরানোর জন্য জিমে যাচ্ছেন। খাচ্ছেনও মেপেজুপে। কিন্তু পছন্দের খাবারে না বলা কি অতই সহজ! এই তালিকায় যদি দই কবাব থাকে, তা হলে জেনে, কী ভাবে সেটি বানালে নির্ভয়ে খাওয়া যাবে।

সব্জি

এই কবাব বানানোর সময় জল ঝরানো দইয়ের মধ্যে পেঁয়াজ কুচি দেওয়া হয়। এই তালিকায় জুড়ে দিতে পারেন মিহি করে কুচোনো গাজর, ব্রকোলি বা ফুলকপি। রকমারি সব্জির ব্যবহারে দই কবাবের পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি পাবে।

 

পনির বা আটা

কবাব বানানোর সময় দই ও সব্জির মিশ্রণটি যাতে ভেঙে না যায়, সে জন্য অনেকে ময়দা বা পাউরুটির গুঁড়ো ব্যবহার করেন। তবে এগুলি স্বাস্থ্যকর নয়। বদলে মিহি করে কুচনো পনির কিংবা আটা ব্যবহার করতে পারেন।

 

ওট্‌সের পরত

 

দইয়ের মিশ্রণটি হাত করে গোল করে নিয়ে সেটিতে বিস্কুটের গুঁড়োর পরত দেওয়া হয়। ওজন বৃদ্ধির ভয় থাকলে, তার বদলে ওট্‌সের গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন। ওট্‌স পুরোপুরি না গুঁড়িয়ে হালকা দানা দানা রাখতে পারেন। এতে কবাব মুচমুচে হবে।

 

সেঁকে নিন

দই কবাব ছাঁকা তেলে ভাজা হয়। এতেই প্রচুর ক্যালোরি বেড়ে যায়। তবে ওজনের কথা মাথায় রাখলে ডুবো তেলে না ভেজে নন স্টিক কড়াইতে অল্প তেল দিয়ে কবাব উল্টে পাল্টে সেঁকে নিতে হবে। প্রয়োজনে এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করতে পারেন।

 

কতটা খাবেন

 

জিভের তুষ্টিতে মাঝে মধ্যে কবাব বা ভাজাভুজি খেতে ইচ্ছে হলে এটি খাওয়া যেতেই পারে। তবে খেতে হবে পরিমাণ বুঝে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।