দোকানের মিষ্টি বাড়িতেই! রইল মুখে দিলেই মিলিয়ে যাবে, এমন সন্দেশ তৈরির সহজ প্রণালী

2nd October 2024 9:08 am Country News
দোকানের মিষ্টি বাড়িতেই! রইল মুখে দিলেই মিলিয়ে যাবে, এমন সন্দেশ তৈরির সহজ প্রণালী


উৎসবের মরসুম মানেই দেদার খাওয়াদাওয়ার পর্ব শুরু। বিরিয়ানি, চাইনিজ, ভাজাভুজি, মিষ্টিমুখ। দুর্গাপুজোয় মিষ্টিমুখ না করলে কি আর পুজো পুজো ভাব আসে? অনেকেই পুজোর ক’দিন বাড়ির ঠাকুরকেও মিষ্টি ভোগ দেন। তবে বাজার থেকে কিনে আনা মিষ্টি নয়, এ বার পুজোয় ঠাকুরের ভোগের থালায় নিজের হাতে তৈরি সন্দেশ পরিবেশন করুন। বাড়িতে অতিথি এলেও তাঁদের সামনে বাড়িতে তৈরি সন্দেশ পরিবেশন করে চমকে দিতে পারেন। দোকানের মতো সন্দেশ বাড়িতেই কী ভাবে বানাবেন, ভাবছেন? রইল মুখে দিলেই মিলিয়ে যাবে, এমন সন্দেশ তৈরির প্রণালী।

উপকরণ:

 

দেড় লিটার দুধ

 

২ চামচ ভিনিগার আর আধ কাপ জলের মিশ্রণ

 

১ কাপ খোয়া ক্ষীর

 

৩/৪ কাপ চিনি

 

২-৩ টেবিল চামচ পেস্তা ও কাঠবাদাম কুচি

 

কেশর (সাজানোর জন্য)

প্রণালী:

 

প্রথমে দুধ ফুটতে দিন। দুধ ফুটে এলে আঁচ কমিয়ে ভিনিগার ও জলের মিশ্রণ দিয়ে ঘন ঘন নাড়তে থাকুন। এতে দুধ কেটে ছানা হয়ে যাবে। পরিষ্কার ঠান্ডা জলে ছানা ধুয়ে একটি মসলিনের কাপড়ে তা বেঁধে ঝুলিয়ে রাখুন অথবা শিল চাপা দিন। ঘণ্টা দুয়েক এই ভাবে রেখে দিলে ছানা থেকে সমস্ত জল বেরিয়ে যাবে। খোয়া ক্ষীর হাত দিয়ে গুঁড়িয়ে রাখুন। এ বার একটি বড় পাত্রে ছানা ও চিনির মিশ্রণ নিয়ে ভাল করে মাখতে হবে। তার পর একটি তলা-ভারী পাত্রে সেই মিশ্রণ ভাল করে নাড়তে থাকুন। এ বার একে একে খোয়া ক্ষীর আর পেস্তা ও কাঠবাদাম কুচি দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। বেশ কিছু ক্ষণ পরে ছানা একদম নরম হয়ে পাত্রের গা ছেড়ে এলে নামিয়ে নিন। এ বার ছাঁচে ফেলে অথবা হাতে গড়ে মনের মতো সন্দেশের আকার দিন। উপর থেকে কেশর দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন সন্দেশ।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।