বিস্কুট, কুকিজ় ছাড়া চা খেতে পারেন না? এই অভ্যাসে যে শরীরের ক্ষতি হচ্ছে, তা জানেন?

24th September 2024 7:46 pm Country News
বিস্কুট, কুকিজ় ছাড়া চা খেতে পারেন না? এই অভ্যাসে যে শরীরের ক্ষতি হচ্ছে, তা জানেন?


এমনিতে বিস্কুট খেতে চান না। কিন্তু চায়ের সঙ্গে আবার বিস্কুট বা কুকিজ় না হলে চলে না। অথচ বিস্কুট ময়দা দিয়ে তৈরি। তাই পুষ্টিবিদেরা অতিরিক্ত বিস্কুট খেতে বারণ করেন। সঙ্গে থাকে চা। বিশেষ করে যাঁদের অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য এই জুটি একেবারেই ভাল নয়। চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খেলে আর কী কী সমস্যা হতে পারে?

১) বিস্কুটেও চিনি থাকে। যা রক্তে শর্করার পরিমাণ হঠাৎ করে বাড়িয়ে তুলতে পারে। যাঁরা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছেন, তাঁদেরও বিস্কুট খেতে বারণ করা হয়। শিশুদের অতিরিক্ত বিস্কুট খাওয়ার প্রবণতা টাইপ ২ ডায়াবিটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়়িয়ে তোলে।

 

২) ময়দা এবং চিনি রয়েছে বিস্কুটে। এই দু’টি উপাদানে যথেষ্ট পরিমাণ ক্যালোরি রয়েছে। তবে কোনও পুষ্টি নেই। তাই এগুলি ‘শূন্য’ ক্যালোরি বলেই বিবেচিত হয়। তাই বিস্কুট বেশি খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে।

 

৩) প্রায় সব ধরনের বিস্কুট বা কুকিজ়ে ট্রান্স ফ্যাট থাকে। যা রক্তে ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল বাড়িয়ে তোলে। দীর্ঘ দিন ধরে এমনটা চলতে থাকলে হার্টের গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৪) ময়দায় ফাইবার প্রায় নেই বললেই চলে। বেশি বিস্কুট খেলে পেটের স্বাস্থ্য একেবারেই ভাল থাকবে না। খালি পেটে ময়দা দিয়ে তৈরি বিস্কুট এবং চা খেলে হজমের গোলমাল কেউ রুখতে পারবে না। সঙ্গে চা খেলে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যাও বৃদ্ধি পাবে।

 

৫) বেশি বিস্কুট খেলে দাঁতের সমস্যা বাড়বে। বিস্কুট চটচটে প্রকৃতির হয়। তাই বিস্কুট খেয়ে ভাল করে মুখ না ধুলে কিন্তু দাঁত ক্ষয়ে যেতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।