টোস্টে মাখিয়ে নিতে পারেন আপেল দিয়ে তৈরি স্বাস্থ্যকর মাখন, কী ভাবে তৈরি করতে হয়, জানেন?

14th September 2024 6:46 pm Country News
টোস্টে মাখিয়ে নিতে পারেন আপেল দিয়ে তৈরি স্বাস্থ্যকর মাখন, কী ভাবে তৈরি করতে হয়, জানেন?


নানা রকম ফলের টুকরো দিয়ে স্যালাড সাজিয়ে দেন বাড়ির খুদেটিকে। কিন্তু, সে আপেল খেতে মোটে পছন্দ করে না। বেছে বেছে আপেলের টুকরো ফেলে দেয়। না হলে বাড়ির পোষ্যটিকে খাইয়ে দেয়। সেদ্ধ করে খাওয়ালেও একই অবস্থা। অন্য কোন উপায়ে খুদেকে এই ফলটি খাওয়ানো যেতে পারে?

পুষ্টিবিদেরা বলছেন, শিশুদের আপেল খাওয়ানোর সহজ এবং মজার একটি পন্থা হতে পারে আপেলের মাখন তৈরি করে রাখা। মাখন বললেও তা আসলে জ্যাম বা জেলির মতোই খেতে। টোস্ট বা স্যান্ডউইচে স্প্রেডের মতো কিংবা দু’টি বিস্কুটের মাঝে আপেল দিয়ে তৈরি মাখন মাখিয়ে দিলে এই ফলটি খাওয়াতে আর কোনও সমস্যাই হবে না। কিন্তু সেই মাখন বানাবেন কী করে? রইল প্রণালী।

উপকরণ:

 

১ কেজি: আপেল

 

আধ কাপ: চিনি

 

আধ কাপ: ব্রাউন সুগার

 

আধ টেবিল চামচ: দারচিনি গুঁড়ো

 

আধ চা চামচ: জায়ফল গুঁড়ো

 

আধ চা চামচ: লবঙ্গের গুঁড়ো

 

আধ চা চামচ: নুন

 

৩ টেবিল চামচ: লেবুর রস

প্রণালী:

 

১) প্রথমে আপেলগুলি ভাল করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। ছোট টুকরো করে রাখুন।

 

২) এ বার কড়াইতে আপেলের টুকরো এবং লেবুর রস দিয়ে অল্প আঁচে নাড়াচাড়া করতে থাকুন। আপেল সেদ্ধ হবে এবং রসও বেরোতে শুরু করবে।

 

৩) মিনিট দশেকের মধ্যে আপেল সেদ্ধ হয়ে যাবে। তার পর একে একে দারচিনি, লবঙ্গ এবং নুন দিয়ে নাড়াচাড়া করে যেতে হবে। তার পর দিয়ে দিতে হবে দু’ধরনের চিনি।

 

৪) চিনি গলে আপেলের ক্বাথের সঙ্গে মিশে গেলে গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, আপেলের মিশ্রণ যেন ঘন হয়ে আসে।

৫) এ বার ওই মিশ্রণ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এলে মিক্সিতে বা ব্লেন্ডারে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

 

৬) বায়ুরোধী কাচের পাত্রে সেই মাখন তুলে রাখার আগে দেখে নিতে হবে, তা যেন পুরোপুরি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় চলে আসে। না হলে আপেলের মাখন বেশি দিন সংরক্ষণ করে রাখা যাবে না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।