ঝোল, ভাপা মুখে রুচছে না, তা হলে বরং টাটকা ফল দিয়ে রেঁধে ফেলুন আনারস কাতলা

8th September 2024 8:25 pm Country News
ঝোল, ভাপা মুখে রুচছে না, তা হলে বরং টাটকা ফল দিয়ে রেঁধে ফেলুন আনারস কাতলা


মধ্যবিত্ত হেঁশেলে রুই, কাতলাই আসে বেশি। ভাতের পাতে মাছ ভাজা, ঝোল-ঝাল হয় প্রতি ঘরেই। রোজের একই মাছ, এক রকম পদ যদি মুখে না রোচে, তা হলে বরং রান্নায় খানিক বদল আনতে পারেন। টাটকা আনারস দিয়ে রেঁধে দেখতে পারেন টক-মিষ্টি স্বাদের আনারস-কাতলা।

উপকরণ

 

৪ টুকরো কাতলা মাছ

 

৪ টেবিল চামচ সাদা তেল

 

ফোড়নের জন্য রাঁধুনি

 

মাঝারি আকারের পেঁয়াজ বাটা

 

১ চা-চামচ আদা বাটা

১ চা-চামচ হলুদ গুঁড়ো

 

১ চা-চামচ কাশ্মীরি লঙ্কাগুঁড়ো

 

২-৩টি কাঁচালঙ্কা

 

৪-৫ টুকরো আনারস বাটা

 

স্বাদমতো চিনি

 

প্রণালী

মাছের টুকরোগুলি নুন ও হলুদ মাখিয়ে ভেজে নিন। কড়াইতে সাদা তেলে রাঁধুনি ফোড়ন দিন। এর পর দিন পেঁয়াজ বাটা। হালকা ভাজা হলে একে একে দিন নুন, আদা বাটা, হলুদ ও কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো ও স্বাদমতো চিনি।সমস্ত উপকরণ ভাল করে নাড়াচাড়া করে তেল ছেড়ে এলে দিয়ে দিতে হবে আনারাস বাটা। যে হেতু আনারসটি কাঁচা অবস্থায় দেওয়া হচ্ছে, তাই কম আঁচে ভাল করে নাড়িয়ে-চাড়িয়ে নিতে হবে, যাতে কাঁচা গন্ধ চলে যায়। এর পর পরিমাণ মতো গরম জল দিয়ে ঝোল ফুটিয়ে নিন।ভাজা মাছ দিয়ে আরও ৫-৭ মিনিট ফোটাতে হবে। পদটি একটু মাখা মাখা হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।