অবশেষে কাটল আইনি জট নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেল আমির পুত্র জুনাইদের প্রথম ছবি মহারাজ

22nd June 2024 8:51 pm Country News
অবশেষে কাটল আইনি জট নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেল আমির পুত্র জুনাইদের প্রথম ছবি মহারাজ


অবশেষে কাটল আইনি জট। উঠে গেল গুজরাট হাই কোর্টের স্থগিতাদেশের নোটিশ। শেষমেশ নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেল আমির খানপুত্র জুনাইদ খানের প্রথম ছবি 'মহারাজ'। প্রযোজক সংস্থা যশরাজ ফিল্মসের তরফ থেকে এক বিবৃতি প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানাল হল গুজরাট হাই কোর্টকে।তা ঠিক কী ঘটেছিল?ভগবান কৃষ্ণের ভক্ত এবং পুষ্টিমার্গ সম্প্রদায় (বৈষ্ণবধর্মের একটি সম্প্রদায়) বল্লভাচার্যের অনুগামীদের পক্ষ থেকে দায়ের করা আবেদনের ভিত্তিতে স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছিল। ১৮৬২ সালের মহারাজ লিবেল কেসকে কেন্দ্র করে তৈরি এই ছবিটি জনশৃঙ্খলায় ফাটল ধরতে পারে এবং এমনকী এই সম্প্রদায়ের অনুগামীদের বিরুদ্ধে হিংসা উস্কে দিতে পারে, এই ভিত্তিতে করা হয়েছিল পিটিশন।'এই আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৮৬২ সালের মহারাজ লিবেল মামলাটি একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির অসদাচরণের অভিযোগের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল এবং বোম্বে সুপ্রিম কোর্টে ইংরেজ বিচারকদের দ্বারা রায় দেওয়া হয়েছিল। এই সিনেমাতে 'ভগবান কৃষ্ণ ও তাঁকে নিয়ে থাকা ভক্তিমূলক গানের বিরুদ্ধে নিন্দামূলক মন্তব্যে' রয়েছে বলে দাবি করা হয়। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিনেমাটির ট্রেলার-সহ পর্যাপ্ত প্রচারমূলক কাজ বেশি না করেই মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতাদের। সিনেমায় জুনাইদকে সাংবাদিক ও সমাজ সংস্কারক করসনদাস মুলজির চরিত্রে দেখা যাবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।