নতুন যুগের অত্যাধুনিক সুবিধা সহ মোদী সরকার 3.0 আগামী পাঁচ বছরের জন্য ট্রেন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর অধীনে, বহুল প্রতীক্ষিত বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি অগাস্টে চেন্নাইতে অবস্থিত ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (ICF) থেকে বার করা হবে। যেখানে পাঁচ থেকে ছয় মাস ট্রায়ালের পর দেশবাসী বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ভ্রমণ উপভোগ করতে পারবেন।সরকারের লক্ষ্য ২০২৯ সালের মধ্যে, ৩০০ টিরও বেশি বন্দে ভারত স্লিপার এবং সিটিং ট্রেন সারা দেশে চলতে শুরু করবে। একই সময়ে, সাধারণ মানুষের জন্য ৪০০ টিরও বেশি অমৃত ভারত ট্রেনও তৈরি করা হবে।রেলওয়ে বোর্ডের একজন সিনিয়র আধিকারিক জানিয়েছেন যে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি প্রথম পর্যায়ে ১৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে চলবে। এর পর পর্যায়ক্রমে সেমি-হাই স্পিডে ঘণ্টায় ১৬০-২২০ কিলোমিটার বেগে চালানো হবে। দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে দিল্লি-কলকাতা বা দিল্লি-মুম্বই রেলপথে চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ১৬টি কোচ থাকবে। এতে ১০টি কোচ হবে এসি-৩, চারটি কোচ হবে এসি-২ এবং একটি কোচ হবে এসি-১। যেখানে দুটি কোচ থাকবে এসএলআর।
বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ভাড়া কত হবে?
বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ভাড়া এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। যাইহোক, এর গতি, সুবিধা, নিরাপত্তা ইত্যাদি বিবেচনা করে, রাজধানী এক্সপ্রেস, শতাব্দী এক্সপ্রেসের থেকে ভাড়া ১০-১৫ শতাংশ বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, সরকার রাজধানী ট্রেনের জায়গায় বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন এবং শতাব্দী এক্সপ্রেস ট্রেনের জায়গায় বন্দে ভারত সিটিং ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করেছে। কারণ সেল্ফ প্রপেল্ড ইঞ্জিন (এসপিই) প্রযুক্তির সাহায্যে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ত্বরণ-মন্দন দ্রুততর হয়। যেখানে রাজধানী এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন ট্রেনকে টেনে ব্রেক করে। SPE প্রযুক্তিতে সজ্জিত বন্দে ভারত ট্রেনের গড় গতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা আগেই গন্তব্যে পৌঁছাবে।