১০০০ ১২০০ টাকার দিন শেষ এবার সরকার বরাদ্দ বৃদ্ধি করছে লক্ষ্মীর ভান্ডারে কত করে পাবেন ?

6th June 2024 1:35 pm Country News
১০০০ ১২০০ টাকার দিন শেষ এবার সরকার বরাদ্দ বৃদ্ধি করছে লক্ষ্মীর ভান্ডারে কত করে পাবেন ?


২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় আসার পর একাধিক জনমুখী প্রকল্প নিয়ে এসেছে। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম হল লক্ষীর ভান্ডার। বাংলার মা-বোনেদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মনে করেন তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) সরকার এই প্রকল্পের মাধ্যমে সমাজের বৃহত্তর অংশের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে। অনেকের মতে সদ্য শেষ হওয়া লোকসভা নির্বাচনে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প বাড়তি মাইলেজ দিয়েছে তৃণমূলকে।লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প (Lokkhir Bhandar) চালু করা হয় ২০২১ সালে। সেই সময় সাধারণ শ্রেণীর মহিলাদের মাসে ৫০০ টাকা ও তফসিলি শ্রেণীর মহিলাদের মাসে এক হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হত। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই ভাতার পরিমান প্রায় দ্বিগুণ করে দেয়।সাধারণ শ্রেণীর মহিলাদের জন্য ৫০০ টাকা করে ভাতা বেড়ে হয় এক হাজার। তফসিলি শ্রেণীর মহিলাদের জন্য এক হাজার টাকা থেকে ভাতা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ১২০০ টাকা। তবে এবার বড় খবর উঠে আসছে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ফের একবার লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে ভাতা বৃদ্ধি পেতে পারে।ভবিষ্যতে ১০০০-১২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০০-২০০০ টাকা ভাতা হতে পারে লক্ষীর ভান্ডারে। লোকসভা নির্বাচনে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প যে তৃণমূলকে অক্সিজেন দিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই অনেকেই মনে করছেন আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লক্ষীর ভান্ডারের ভাতা বৃদ্ধি করতে পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।