ইউরিন ইনফেকশন হলে কোন কোন খাবার বর্জন করতে হবে জানতে পড়ুন অবশ্যই

6th June 2024 1:26 pm Country News
ইউরিন ইনফেকশন হলে কোন কোন খাবার বর্জন করতে হবে জানতে পড়ুন অবশ্যই


ডেস্কইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন,সংক্ষেপে আমরা ইউরিন ইনফেকশনও বলি। এই সমস্যাটা অনেকের মাঝেই দেখা যায়। মূত্র সংক্রমণের কারণে তলপেটে ব্যথাসহ বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এই সময় বেশি জল পান করা,তৈলাক্ত খাবার না খাওয়া, চা-কফি কম খাওয়ার কথা বলেন কেউ কেউ।;তবে দ্রুত চিকিৎসা না নিলে পরিস্থিতি জটিলও হয়ে যায় অনেক ক্ষেত্রে।এই মূত্র সংক্রমণের সময় কোন কোন খাবার বর্জন করবেন ও কোন কোন খাবার খাবেন, তার একটি তালিকা দিয়েছেন ভারতের উত্তর প্রদেশের নোইডায় অবস্থিত ডিপার্টমেন্ট অব ইউরোলজি অ্যান্ড কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট এর বিশেষজ্ঞ ডা.অমিত কে ডেভরা।চলুন জেনে নেই ইউরিন ইনফেকশন হলে কোন কোন খাবার বর্জন করতে হবে-

কফি,অ্যালকোহল ও ক্যাফেইনযুক্ত খাবার বর্জন করতে হবে, যতদিন পর্যন্ত ইউরিনের ইনফেকশন ভালো না হচ্ছে। এসব পানীয় মূত্রাশয়ে সংক্রমণ বাড়াতে পারে।

চিনি ও চিনিযুক্ত খাবার বর্জন করতে হবে। কারণ রক্তে চিনির পরিমাণ বেশি থাকলে তা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ায়। এ কারণে যাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নেই, তাদের ক্ষেত্রে ইউরিন ইনফেকশন বেশি দেখা যায়।

মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ এগুলো মূত্রাশয়ে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।

মূত্র সংক্রমণের সময় লেবু, কমলার মতো সাইট্রিক ফল এড়িয়ে চলতে হবে। তবে সংক্রমণ ভালো হলে এই ধরনের সাইট্রিক ফল কিন্তু পরবর্তী সংক্রমণ থেকে আপনাকে রক্ষা করতে পারে। মূত্র সংক্রমণ ভালো হলে পালং শাক, সবুজ কাঁচা মরিচ, আঙুরের রস, স্ট্রবেরি এসব খান বেশি করে।

ডা.ডেভরা উপরের বেশ কিছু খাবার পরিহারের কথা যেমন বলেছেন,তেমনি মূত্র সংক্রমণ থেকে দ্রুত সেরে উঠতে কোন কোন খাবার খাওয়া উচিত,তা ও বলেছেন।

চলুন জেনে নেই ইউরিন ইনফেকশন হলে কোন কোন খাবার খেতে হবে-

প্রচুর জল পান করতে হবে, এতে মূত্রাশয় থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া শরীর থেকে বের হয় যাবে।

জাম খান। কারণ এই ফল ইউরিনারি ট্র্যাক্টে ব্যাকটেরিয়াকে আটকে থাকতে দেয় না, শরীর থেকে সেই ব্যাকটেরিয়াকে বের করতে সহায়তা করে।

দই খান, কারণ এতে থাকা উপকারি ব্যাকটেরিয়া মূত্রাশয়ের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে দূর করতে ভূমিকা রাখে।

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।