৪১টি নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের দাম কমে গেল স্বস্তি মিলবে সুগার-হার্টের রোগীদের

27th May 2024 10:15 am Country News
৪১টি নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের দাম কমে গেল স্বস্তি মিলবে সুগার-হার্টের রোগীদের


ওষুধের দাম বৃদ্ধি নিয়ে সাধারণ মানুষের চিন্তা ক্রমাগত বেড়েছে। গত এপ্রিল মাস থেকেই প্যারাসিটামল সহ অন্তত ৮০০ ওষুধের দাম বেড়েছিল। তবে লোকসভা ভোটের মধ্যে খানিক স্বস্তি মিলল। কারণ নিয়মিত ব্যবহৃত হয় এমন ৪১টি সাধারণ ওষুধের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি বা এনপিপিএ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডায়াবেটিস, হার্ট ডিজিজ, লিভার সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের দাম কমছে। ৪১টি ওষুধ ছাড়াও কমানো হচ্ছে এই সব রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ছ'টি 'ফরমুলেশন'। ইতিমধ্যে ডিলার ও স্টকিস্টদের কাছে ওযুধের দাম কমার বার্তা পৌঁছে গেছে। দ্রুত সম্ভব যাতে নতুন দামে ওষুধ বিক্রি শুরু করা হয়, সেই নির্দেশ দিয়েছে এনপিপিএ। সারা ভারতে ১০ কোটির বেশি ডায়বেটিক রোগী রয়েছেন। তাই এই দাম কমার খবরে স্বাভাবিকভাবে প্রচুর মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস নেবেন। এনপিপিএ বলছে, প্রতিবছরই ওষুধের পাইকারি মূল্য সূচক (WPI) ঠিক করা হয়। সাধারণ মানুষের যাতে সুবিধা হয়, ওষুধের দাম নিয়ে যাতে চিন্তা কমে, সেই চেষ্টা করা হয়। মার্চ মাসেই অবশ্য কেন্দ্রীয় সরকার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিয়েছে। ডায়াবিটিস, ব্লাডপ্রেশারের ওষুধ সহ ৬৯টি ওষুধের দামের ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০২২ এবং ২০২৩ সালে অত্যাবশকীয় ওষুধের দাম ১০ থেকে ১২ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। ওষুধের দাম বৃদ্ধির পিছনে মুদ্রাস্ফীতি একটি কারণ বলে বারবার দাবি করে এসেছে কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে আবার ২৮ ধরনের ডায়াবেটিসের ওষুধের দাম কমানো হয়েছিল কেন্দ্রের তরফে। এছাড়া কোলেস্টেরল ও ব্যথার ওষুধের মূল্যও অনেকটা কমেছিল। সব মিলিয়ে ৩৯ ধরনের ওষুধের দাম কমিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।