ঈশান যেন ছোট্ট যশ নুসরতের তিন বছরের ছেলেকে দেখে অবাক নেটিজেনরা

13th May 2024 9:17 pm Country News
ঈশান যেন ছোট্ট যশ নুসরতের তিন বছরের ছেলেকে দেখে অবাক নেটিজেনরা


বিয়ে থেকে সন্তান, অভিনেত্রী নুসরত জাহানের (Nusrat Jahan) জীবন মানেই বিতর্ক। অনেকেই বলেন টলিউড নায়িকা (Tollywood actress) নাকি এভাবেই শিরোনামে থাকতে ভালবাসেন। তবে সন্তানের জন্ম পরিচয় নিয়ে যেভাবে কটাক্ষের শিকার হতে হয় প্রাক্তন সাংসদকে সেটা ভোলার নয়। যদিও ঈশানের (Ishaan) জন্মের পর থেকে তাকে আড়ালেই রেখে ছিলেন যশ - নুসরত (Yash Dasgupta and Nusrat Jahan)।কয়েকদিন আগেই কোয়েল মল্লিকের (Koel Mallick) ছেলের জন্মদিনে প্রথম তাঁকে বাইরে আনেন নায়িকা। এরপর রবিবার মাতৃদিবসে (Mother's day) সমাজমাধ্যম জুড়ে শুধুই তিন বছরের সেলিব্রেটি শিশুকে নিয়ে আলোচনা। ঈশান নাকি দেখতে পুরো যশের মতো!নিখিল জৈনের সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীন যশের সঙ্গে ভালবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন নায়িকা। অভিনেতা অবশ্য ডিভোর্সি, তাঁর আগের পক্ষের এক সন্তান রয়েছে। কিন্তু প্রেমের ক্ষেত্রে সেইসব বাধা হয়ে ওঠেনি। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জন্ম হয় নুসরত জাহানের ছেলের। নাম রাখেন ঈশান দাশগুপ্ত। পিতৃপরিচয় নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হলেও অভিনেতা যশ দাশগুপ্তই যে ঈশানের বাবা, তা তাঁর পুরসভার (KMC) জন্মের শংসাপত্রেই পরিষ্কার করে দেন টলিউড নায়িকা। মাতৃদিবসে প্রথম বার ছেলে ঈশানের সঙ্গে পরিচয় করালেন অভিনেত্রী।নেটিজেনরা বলছে, মাথার চুল থেকে হাসি সবটাই পুরো বাবার মতো। যে কেউ একঝলক দেখেই বলবেন এ যেন ছোটবেলার যশ! নুসরতের সঙ্গে মুখের কোনও মিল নেই তাঁর সাড়ে তিন বছরের ছেলের।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।