৪০ পেরলেও কীভাবে ত্বকের যত্ন নেবেন? রইল টিপস একঝলক

2nd May 2024 7:16 pm Country News
৪০ পেরলেও কীভাবে ত্বকের যত্ন নেবেন? রইল টিপস  একঝলক


বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বকে অনেক পরিবর্তন হয়। যেমন কোলাজেন উৎপাদন কমে যাওয়া, হরমোনের পরিবর্তন ইত্যাদি। এছাড়াও সূর্যালোক এবং দূষণের মতো পরিবেশগত কারণগুলিও ত্বকের পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই আপনি যদি চান যে, বার্ধক্য এবং পরিবেশের প্রভাব আপনার ত্বকে দৃশ্যমান না হয় এবং আপনি তরুণ থাকেন, তাহলে কিছু বিষয়ের বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি।আপনার বয়স যদি ৪০ বছরের বেশি হয়, তবে কিছু বিশেষ স্কিনকেয়ার রুটিন অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ। এতে আপনার ত্বক সুস্থ এবং উজ্জ্বল থাকবে। জানুন ৪০ বা তার বেশি বছর বয়সীরা কীভাবে ত্বকের যত্ন নেবেন। 

ত্বক ভালভাবে পরিষ্কার করুন

ক্লিনজিং হল যে কোনও স্কিনকেয়ার রুটিনের প্রথম ধাপ। আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধরে রাখে এমন একটি ক্লিনজার বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ক্লিনজার বেছে নেওয়ার সময়, সব সময় মনে রাখবেন যে, এতে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড এবং গ্লিসারিন যেন থাকে। এর ফলে ত্বক নরম এবং ময়েশ্চারাইজড থাকে।

অ্যান্টি- এজিং প্রোডাক্ট

৪০ বছর বয়সে, সূক্ষ্ম রেখা, বলিরেখা এবং বয়সের দাগ এড়াতে, ত্বকের যত্নের রুটিনে অবশ্যই অ্যান্টি-এজিং প্রোডাক্টগুলি অন্তর্ভুক্ত করুন। অ্যান্টি-এজিং প্রোডাক্ট বেছে নেওয়ার সময়, মনে রাখবেন যে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন রেটিনল, ভিটামিন সি বা পেপটাইড যেন থাকে। এই সমস্ত জিনিস বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীর করতে সাহায্য করে।

সানস্ক্রিন ব্যবহার 

সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করার জন্য, সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। এতে আপনার ত্বক সুস্থ এবং তরুণ থাকে। সানস্ক্রিন নেওয়ার সময় মনে রাখবেন এটি যেন SPF 30 বা তার বেশি হয়। বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত, তবে বাড়িতে থাকলেও ব্যবহার করুন। আপনি বাড়িতে থাকার সময় কম SPF সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন।

ত্বক হাইড্রেট

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বক পাতলা হয়ে আর্দ্রতা হারায়। যা শুষ্কতা এবং নিস্তেজ হতে পারে। এটি মোকাবেলা করার জন্য, আপনার ত্বককে ভিতরে এবং বাইরে থেকে হাইড্রেট করা গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিন প্রচুর জল পান করুন এবং আপনার রুটিনে হাইড্রেটিং স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট অন্তর্ভুক্ত করুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।