জল ঢালতে হবে না এই পদ্ধতি মানলেই সামান্য খরচে ছাদ হবে বরফ ঠান্ডা ঘর থাকবে কুল

27th April 2024 7:28 pm Country News
জল ঢালতে হবে না এই পদ্ধতি মানলেই সামান্য খরচে ছাদ হবে বরফ ঠান্ডা ঘর থাকবে কুল


প্রবল গরমের দাপটে এখন নাকাল বঙ্গবাসী! কোথা থেকে একটু ঠান্ডা বাতাস পাওয়া যায়, কখন বৃষ্টি আসে, তাই নিয়েই চলছে জল্পনা। বাড়িতে ফিরেও নেই শান্তি। রোদের তাপে ঘরের বিছানা, চেয়ারও হয়ে আছে আগুন। কিন্তু এই কয়েকটি পদ্ধতি মানলে কিন্তু ঘর সহজে ঠান্ডা করা সম্ভব।

হ্যাঁ, ঘরোয়া উপায়ে আগে কার দিনে অনেকের ঘর ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করতেন।তাঁরা কী কী পদ্ধতি অবলম্বন করতেন, একবার দেখে নেওয়া যাক। প্রথমত অনেকেই বলেন, ছাদের যদি বাগান করা যায়, যদি গাছে গাছে ভরিয়ে তোলা যায়, তা হলে সেই ছাদের ঘরটি খুবই ঠান্ডা হতে পারে। তে সেক্ষেত্রে, ছাদের ফ্লোরে ওয়াটার প্রুফ পেন্ট করে রাখা ভাল।

রিফ্লেক্টিভ রুফ সার্ফেস করে রাখলে অনেক সময় তাপমাত্রা কম থাকে। সে ক্ষেত্রে তাপ রিফ্লেক্ট করে বা ফিরিয়ে দেয় এমন রঙ বা কোনও কেমিক্যালের প্রলেপ দিতে হয় ছাদে। সেক্ষেত্রে সাদা রঙ করলে এটি সূর্যের রশ্মিকে প্রতিফলিত করে ফিরিয়ে দেবে। এতে তাপ কমবে। কলিচুন আর হোয়াইট সিমেন্টের মিশ্রণ দিয়ে ছাদে একটি প্রলেপ ব্যবহার করতে পারেন।

  শহরের মানুষদের পক্ষে এটি একটি অসম্ভব কাজ, কিন্তু ছাদে খড় দিয়ে ভিজিয়ে রাখলে অনেকসময় ছাদ ঠান্ডা থাকে। ছাদ জুড়ে ভেজা খড় ছড়িয়ে দিন, আর সেই ভেজা খড়ে ছাদও ভিজে-ভিজে থাকবে। এতে তীব্র গরমেও ছাদ ঠান্ডা থাকবে।

এ ছাড়া ইদানিং অনেকেই ছাদে আলাদা করে শেড লাগিয়ে নিচ্ছেন। রোদের তাপ থেকে সেটি ছাদকে রক্ষা করে। এতে ছাড় অপেক্ষাকৃত কম গরম হয়। তবে এর একটা অসুবিধা হচ্ছে, আর খোলা আকাশ এতে দেখা যায় না।

  এ ছাড়াও আপনি যদি সোলার প্যানেল ব্যবহার করতে পারেন ছাদে, তাতে সূর্যের আলোর প্রকৃত একটা ব্যবহারও হবে, পাশাপাশি আপনার বাড়ির অতিরিক্ত বিদ্যুতের খরচও বেশ কিছুটা কমবে। আর ছাদের এটি থাকলে, সূর্যের আলো সরাসরি ছাদে এসে পড়বেও না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।