প্রবল গরমের দাপটে এখন নাকাল বঙ্গবাসী! কোথা থেকে একটু ঠান্ডা বাতাস পাওয়া যায়, কখন বৃষ্টি আসে, তাই নিয়েই চলছে জল্পনা। বাড়িতে ফিরেও নেই শান্তি। রোদের তাপে ঘরের বিছানা, চেয়ারও হয়ে আছে আগুন। কিন্তু এই কয়েকটি পদ্ধতি মানলে কিন্তু ঘর সহজে ঠান্ডা করা সম্ভব।
হ্যাঁ, ঘরোয়া উপায়ে আগে কার দিনে অনেকের ঘর ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করতেন।তাঁরা কী কী পদ্ধতি অবলম্বন করতেন, একবার দেখে নেওয়া যাক। প্রথমত অনেকেই বলেন, ছাদের যদি বাগান করা যায়, যদি গাছে গাছে ভরিয়ে তোলা যায়, তা হলে সেই ছাদের ঘরটি খুবই ঠান্ডা হতে পারে। তে সেক্ষেত্রে, ছাদের ফ্লোরে ওয়াটার প্রুফ পেন্ট করে রাখা ভাল।
রিফ্লেক্টিভ রুফ সার্ফেস করে রাখলে অনেক সময় তাপমাত্রা কম থাকে। সে ক্ষেত্রে তাপ রিফ্লেক্ট করে বা ফিরিয়ে দেয় এমন রঙ বা কোনও কেমিক্যালের প্রলেপ দিতে হয় ছাদে। সেক্ষেত্রে সাদা রঙ করলে এটি সূর্যের রশ্মিকে প্রতিফলিত করে ফিরিয়ে দেবে। এতে তাপ কমবে। কলিচুন আর হোয়াইট সিমেন্টের মিশ্রণ দিয়ে ছাদে একটি প্রলেপ ব্যবহার করতে পারেন।
শহরের মানুষদের পক্ষে এটি একটি অসম্ভব কাজ, কিন্তু ছাদে খড় দিয়ে ভিজিয়ে রাখলে অনেকসময় ছাদ ঠান্ডা থাকে। ছাদ জুড়ে ভেজা খড় ছড়িয়ে দিন, আর সেই ভেজা খড়ে ছাদও ভিজে-ভিজে থাকবে। এতে তীব্র গরমেও ছাদ ঠান্ডা থাকবে।
এ ছাড়া ইদানিং অনেকেই ছাদে আলাদা করে শেড লাগিয়ে নিচ্ছেন। রোদের তাপ থেকে সেটি ছাদকে রক্ষা করে। এতে ছাড় অপেক্ষাকৃত কম গরম হয়। তবে এর একটা অসুবিধা হচ্ছে, আর খোলা আকাশ এতে দেখা যায় না।
এ ছাড়াও আপনি যদি সোলার প্যানেল ব্যবহার করতে পারেন ছাদে, তাতে সূর্যের আলোর প্রকৃত একটা ব্যবহারও হবে, পাশাপাশি আপনার বাড়ির অতিরিক্ত বিদ্যুতের খরচও বেশ কিছুটা কমবে। আর ছাদের এটি থাকলে, সূর্যের আলো সরাসরি ছাদে এসে পড়বেও না।