AC-এর তাপমাত্রা কত থাকলে শরীর থাকবে সুস্থ? জেনে নিন চিকিৎসকের পরামর্শ

27th April 2024 7:22 pm Country News
AC-এর তাপমাত্রা কত থাকলে শরীর থাকবে সুস্থ? জেনে নিন চিকিৎসকের পরামর্শ


সূর্যের প্রবল দাপটে পুড়ছে সমগ্র বাংলা। এই জ্বালাপোড়া গরম আগামী বেশ কিছুদিন স্থায়ী হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তাই অনেকেই রাত-দিন এসি-তে থাকছেন।কিন্তু সঠিক তাপমাত্রায় এসি চালানো না হলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। তাই আজকের আলোচনায় আমরা কলকাতার বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ আশিস মিত্রের পরামর্শ জেনে নেব।১. বাইরের তাপমাত্রার সাথে তাল মিলিয়ে চালান এসি:বাইরের তাপমাত্রা যত রয়েছে, তার থেকে যেন এসি-এর তাপমাত্রার ১০ থেকে ১৩ ডিগ্রির বেশি তফাত না থাকে।অর্থাৎ দুপুরের দিকে যদি বাইরের তাপমাত্রা ৪০ থাকে, তাহলে আপনারা এসি চালান ২৭-২৮ ডিগ্রিতে।এই নিয়ম মেনে চললে ঘরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সাথে মানিয়ে চলবে।

২. রাতে স্লিপ মোডে চালান এসি:

রাতে এসি চালাতে হলে মোটামুটি ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রির মধ্যে চালান।তারপর স্লিপ মোড অন করে দিন।এতে ধীরে ধীরে বাইরের তাপমাত্রা অনুযায়ী এসি নিজের তাপমাত্রা ঠিক করে নেবে।স্লিপ মোড না থাকলে ভোর বেলায় উঠে এসি বন্ধ করে পাখা চালিয়ে দিন।

৩. বাইরে থেকে এসে হুট করে ঠান্ডা এসিতে ঢোকার আগে অপেক্ষা করুন:

রাস্তা থেকে এসে হঠাৎ অফিসের ঠান্ডা এসিতে ঢুকলে ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা বাড়ে।তাই গরম থেকে এসি-তে ঢোকার আগে ৫ মিনিট একটু অপেক্ষা করুন।

এসি থেকে রোদে বেরবার আগেও একটু ছায়ায় অপেক্ষা করে তারপর বাইরে পা দিন।

৪. পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন:

এসি-তে থাকলে ঘাম কম হয় এবং অনেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খান না।এতে শরীরে জলের ঘাটতি হতে পারে।তাই এসি-তে থাকলেও দিনে অন্তত ৩ লিটার জলপান করুন।তবে ক্রনিক কিডনি ডিজিজ থাকলে হঠাৎ করে জলপান বাড়াবেন না। বরং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনেই জলপান করুন।

৫. নিয়মিত এসি সার্ভিস করুন:

নিয়মিত এসি চললে তাতে জীবাণু এবং ধুলো-ময়লা জমতে পারে।এতে ফুসফুসে ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।তাই এইসব ভয়াল রোগের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে চাইলে বছরে অন্তত দুইবার এসি সার্ভিস করুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।