সূর্যের প্রবল দাপটে পুড়ছে সমগ্র বাংলা। এই জ্বালাপোড়া গরম আগামী বেশ কিছুদিন স্থায়ী হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তাই অনেকেই রাত-দিন এসি-তে থাকছেন।কিন্তু সঠিক তাপমাত্রায় এসি চালানো না হলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। তাই আজকের আলোচনায় আমরা কলকাতার বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ আশিস মিত্রের পরামর্শ জেনে নেব।১. বাইরের তাপমাত্রার সাথে তাল মিলিয়ে চালান এসি:বাইরের তাপমাত্রা যত রয়েছে, তার থেকে যেন এসি-এর তাপমাত্রার ১০ থেকে ১৩ ডিগ্রির বেশি তফাত না থাকে।অর্থাৎ দুপুরের দিকে যদি বাইরের তাপমাত্রা ৪০ থাকে, তাহলে আপনারা এসি চালান ২৭-২৮ ডিগ্রিতে।এই নিয়ম মেনে চললে ঘরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সাথে মানিয়ে চলবে।
২. রাতে স্লিপ মোডে চালান এসি:
রাতে এসি চালাতে হলে মোটামুটি ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রির মধ্যে চালান।তারপর স্লিপ মোড অন করে দিন।এতে ধীরে ধীরে বাইরের তাপমাত্রা অনুযায়ী এসি নিজের তাপমাত্রা ঠিক করে নেবে।স্লিপ মোড না থাকলে ভোর বেলায় উঠে এসি বন্ধ করে পাখা চালিয়ে দিন।
৩. বাইরে থেকে এসে হুট করে ঠান্ডা এসিতে ঢোকার আগে অপেক্ষা করুন:
রাস্তা থেকে এসে হঠাৎ অফিসের ঠান্ডা এসিতে ঢুকলে ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা বাড়ে।তাই গরম থেকে এসি-তে ঢোকার আগে ৫ মিনিট একটু অপেক্ষা করুন।
এসি থেকে রোদে বেরবার আগেও একটু ছায়ায় অপেক্ষা করে তারপর বাইরে পা দিন।
৪. পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন:
এসি-তে থাকলে ঘাম কম হয় এবং অনেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খান না।এতে শরীরে জলের ঘাটতি হতে পারে।তাই এসি-তে থাকলেও দিনে অন্তত ৩ লিটার জলপান করুন।তবে ক্রনিক কিডনি ডিজিজ থাকলে হঠাৎ করে জলপান বাড়াবেন না। বরং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনেই জলপান করুন।
৫. নিয়মিত এসি সার্ভিস করুন:
নিয়মিত এসি চললে তাতে জীবাণু এবং ধুলো-ময়লা জমতে পারে।এতে ফুসফুসে ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।তাই এইসব ভয়াল রোগের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে চাইলে বছরে অন্তত দুইবার এসি সার্ভিস করুন।