ইন্টারনেট ছাড়াই WhatsApp থেকে পাঠানো যাবে ছবি ভিডিও জানুন পদ্ধতি

24th April 2024 7:39 pm Country News
ইন্টারনেট ছাড়াই WhatsApp থেকে পাঠানো যাবে ছবি ভিডিও জানুন পদ্ধতি


হোয়াটসঅ্যাপে দ্রুত কোনও ছবি, ভিডিও কিংবা ফাইল পাঠাতে হবে, অথচ কাজ করছে না ইন্টারনেট! অথবা এমন কোনও জায়গায় আটকে পড়েছেন যেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত! নো টেনশন। কারণ শীঘ্রই হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) থেকে বিনা ইন্টারনেটে প্রয়োজনীয় ফাইল পাঠাতে পারবেন ইউজাররা।না, অলীক কল্পনা নয়। ইউজারদের সুবিধার্থে এমনই চিন্তাভাবনা করছে মেটার অন্তর্গত এই মেসেজিং অ্যাপটি। সরাসরি কিছু না জানালেও শোনা যাচ্ছে, অফলাইনেই হোয়াটসঅ্যাপ থেকে ভিডিও, ছবি, মিউজিক, ডকুমেন্ট ইত্যাদি ফাইল পাঠাতে পারবেন আপনিও। এবং সেই সমস্ত ফাইল এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেডই হবে। অর্থাৎ আপনার পাঠানো ফাইলের গোপনীয়তা বজায় থাকবে।সম্প্রতি প্রকাশ্য়ে এসেছে একটি স্ক্রিনশট। যেখানে দেখা যাচ্ছে, অ্যান্ড্রয়েডের বিটা ভার্সানে এই ফিচারটি নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে। আশপাশের কোন অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এবং ফাইল-শেয়ারিং অ্যাপ সাপোর্ট করবে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে সব ডিভাইসে ব্লুটুথের মাধ্যমে লোকাল ফাইল-শেয়ার করা যায়, সেসব ডিভাইসে একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপ থেকে চলে যাবে ফাইল। এই ফিচার সাপোর্ট করবে, এমন নিকটবর্তী ডিভাইস খুঁজে বের করার পাশাপাশি আপনার হোয়াটসঅ্যাপকে ফটো গ্যালারি ও সিস্টেম ফাইল ব্যবহারের অনুমতিও দিতে হবে। শেয়ার আইটির মতো অ্যাপ অফলাইনে যেভাবে কাজ করে, সেভাবেই ইন্টারনেট ছাড়া ব্যবহার করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপ। কিন্তু কবে থেকে এই ফিচারের সুবিধা পাবেন ইউজাররা, সে বিষয়ে খোলসে করে কিছুই বলা হয়নি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।