এসি ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখার কৌশল

22nd April 2024 9:28 pm Country News
এসি ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখার কৌশল


তাপমাত্রা বাড়ছে চড়চড়িয়ে। আগামী দিনে পরিস্থিতি কতটা অস্বস্তিকর হতে চলেছে, সেই আঁচ এখন থেকেই পাওয়া যাচ্ছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র বন্ধ করে দিলেই গরমে হাসফাঁস অবস্থা। দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকা স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেও ভালো নয়। চিকিৎসকরা অহরহ এ বিষয়ে সাবধান করছেন। তা হলে উপায় কী?এসি থাকুক বা না থাকুক, কিছু কৌশল মানলেই ঘর ঠান্ডা রাখা সম্ভব। রইল তারই কিছু টিপস।

এলইডি বাল্ব ব্যবহার করুন: সাধারণ টিউব লাইট-এ ঘর বেশি গরম হয়। সম্ভব হলে কম আলোর এলইডি ব্যবহার করুন। এতে আপনার ঘর ঠান্ডা থাকবে। দিনের বেলা খুব প্রয়োজন না হলে অযথা আলো জ্বালিয়ে রাখবেন না।

গাঢ় রঙের পর্দা ব্যবহার করুন: গরমের দিনে ঘরের অন্দরসজ্জায় সামান্য পরিবর্তন আনলেই তাপদাহ থেকে স্বস্তি পাওয়া সম্ভব। ঘরে গাঢ় রঙের পর্দা ব্যবহার করতে পারেন। হালকা রঙের পর্দায় ঘর বেশি গরম হয়ে যায়।

খেসের পর্দা ব্যবহার করুন: জানালায় বা বারান্দায় ব্যবহার করুন খেসের পর্দা। খেস তাপ আটকাতে সক্ষম।

হালকা রঙের সুতির চাদর ব্যবহার করুন: হালকা রঙের পাতলা সুতির চাদর বিছানায় পাতুন। গদির উপরে একটা মাদুর বা শীতলপাটি পেতে রাখতে পারেন এতে বিছানা ঠান্ডা থাকবে।

লবণ জল দিয়ে ঘর মুছুন: ঘর মোছার সময়ে জলর মধ্যে বেশ খানিকটা লবণ মিশিয়ে দিতে পারেন। নুন জল দিয়ে ঘর মুছলে ঘরের তাপমাত্রা অনেকটাই কমবে। এছাড়া এক বাটি বরফ নিয়ে তা টেবিল ফ্যানের সামনে রেখে দিন। বরফের জন্য ফ্যানের হাওয়া ঠান্ডা হবে। সারা ঘরে ঠান্ডা বাতাস ছড়িয়ে পড়বে।

অতিরিক্ত আসবাব পত্র সরিয়ে ফেলুন: ঘর থেকে বাড়তি জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলুন। ঘর যত ঘিঞ্জি হবে, তত গরম বাড়বে। ফাঁকা ঘরেই হাওয়া চলাচল ভালো হবে। গরমও কমবে।

গাছের ব্যবহার: ঘরে গাছ রাখলেও গরমের দিনে বেশ আরাম পাওয়া যায়। জানালার ধারে সাজিয়ে রাখতে পারেন গাছগুলো।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।