কোন নকশায় নখ সাজাবেন বুঝতে পারছেন না? রইল জনপ্রিয় তিন নকশার খোঁজ

9th April 2024 1:51 pm Country News
কোন নকশায় নখ সাজাবেন বুঝতে পারছেন না? রইল জনপ্রিয় তিন নকশার খোঁজ


লাল, গোলাপি, খয়েরি— নখে পরিচিত কয়েকটি রঙের নেলপলিশের প্রলেপ দিলেই ইদানীং সাজ সম্পূর্ণ হচ্ছে না। নখে শুধু রং নয়, সঙ্গে থাকছে চুমকি, অভ্র, পাথর, ফুলছাপের নকশা। ধীরে ধীরে নখসজ্জার অঙ্গ হয়ে উঠছে এগুলিই। বিয়ে কিংবা বিশেষ উৎসব, অনুষ্ঠানে তো বটেই, এমনকি বারো মাসই নখ সাজিয়ে রাখেন অনেকে।

 

বিয়ের দিন বেনারসি কিংবা লেহঙ্গার সঙ্গে মিলিয়ে অনেকেই নখে বাহারি নকশা করান। বিয়ের পোশাকে যদি লাল কিংবা সোনালির ছোঁয়া থাকে, নখেও শোভা পায় সেই রংযুগল। সারা বছরই যাঁদের নখে থাকে বাহারি সাজ, তাঁরা অনেকেই চিকচিকে রঙের ছোঁয়ায় একদম হালকা নকশা করান।

 

তবে নখের উপর ফুটিয়ে তোলা আধুনিক নকশাগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় হয়েছে। অর্থাৎ, কয়েকটি নকশা অনেক দিন ধরেই ‘ট্রেন্ডে’ রয়েছে। সকলের নজর কাড়তে নখের নকশার জন্য সেগুলির একটি বেছে নিতে পারেন।

অ্যানিমাল প্রিন্ট

 

রাস্তাঘাটে অনেকের নখের দিকে তাকালেই নজরে আসবে ডোরাকাটা নকশা। আধুনিক কোনও পোশাক হোক কিংবা সাবেকি— যে কোনও পোশাকের সঙ্গে মানানসই হয়। ফুলছাপ বা একঘেয়ে রঙের কাটাকুটি থেকে বেরিয়ে অন্য কিছু করতে চাইলে এই ধরনের নকশা বেশ অন্য স্বাদের।

 

মার্বেল নেলস

 

নখের উপর সাদা আর কালো দিয়ে দাবার ছকের মতো নকশা। এই ধরনের কারুকাজ অনেকেই পছন্দ করেন। কালো এবং সাদা রঙের এই নকশায় বেশ একটা সপ্রতিভ ব্যাপার আছে। জিন্‌স কিংবা অন্য কোনও আধুনিক পোশাকের সঙ্গে বেশ ভাল যায় এমন সাজ। তবে শাড়ি কিংবা সালোয়ার কামিজের সঙ্গে যে একেবারে এমন নকশা যায় না, তা নয়।

 

প্যাস্টেল রং

 

নখ জুড়ে ধূসরতা ভাল লাগে অনেকেরই। নখের এই ধরনের নকশার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, যে কোনও পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে যায়। পোশাকের রং যা-ই হোক না কেন, নখে এমন নকশা কখনওই বেমানান লাগে না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।