বাংলায় নতুন আটটি মেডিক্যাল কলেজের অনুমোদন চিকিত্‍সা জগতে বড় সুখবর

1st April 2024 6:52 pm Country News
বাংলায় নতুন আটটি মেডিক্যাল কলেজের অনুমোদন চিকিত্‍সা জগতে বড় সুখবর


আরও আটটি মেডিক্যাল কলেজ পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। এই আটটি নতুন মেডিক্যাল কলেজের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। সেই আটটিরই অনুমোদন মিলেছে বলে খবর। দেশজুড়ে নতুন মেডিকেল কলেজ চালুর জন্য আবেদন কেন্দ্রের কাছে জমা পড়েছিল। তার মধ্যে থেকে মোট ১১২টির ক্ষেত্রে সম্মতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার মধ্যে বাংলা থেকে নতুন ৮টি মেডিকেল কলেজ চালুর আবেদন জমা পড়েছিল।সেই ৮টি মেডিক্যাল কলেজকেই ছাড়পত্র দিয়েছে মোদী সরকার। খড়গপুর মেডিক্যাল কলেজ সরকারি নিয়ন্ত্রণে। বাকি সাতটিই বেসরকারি কলেজ। নতুন মেডিক্যাল কলেজগুলির মধ্যে রয়েছে-উত্তর ২৪ পরগনা এবং নদিয়া জেলার দুটি করে এবং পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদের একটি করে মেডিক্যাল কলেজ।এদিকে এই কাজটি হলে চিকিত্‍সা বিদ্যা গ্রহণে যেমন পথ খুলবে তেমন চিকিত্‍সা পরিষেবা থেকে পরিকাঠামো বাড়বে। তাতে আখেরে মানুষের উপকার হবে। নতুন সাতটি মেডিক্যাল কলেজের আসন সংখ্যা বাড়তে চলেছে বলে খবর। সুতরাং আগামী শিক্ষাবর্ষে রাজ্যে এমবিবিএস আসন সংখ্যা বেড়ে হচ্ছে ৬ হাজার। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাংলায় এখন ২৯টি সরকারি এবং সাতটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ আছে। কিন্তু আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এই সংখ্যাটাই বেড়ে দাঁড়াবে যথাক্রমে ৩০ এবং ১৪।অন্যদিকে যে ৮টি মেডিক্যাল কলেজের কথা বলা হচ্ছে সেগুলি হল-পুরুলিয়ার ভারত মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খড়গপুরের ডাঃ বি সি রায় মাল্টি স্পেশালিটি মেডিকেল রিসার্চ সেন্টার (আইআইটি খড়গপুর), অশোকগরের এমআর ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড হসপিটাল, পূর্ব বর্ধমানের ইস্ট-ওয়েস্ট ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চ, নিউটাউনের পিকেজি মেডিকেল কলেজ, রানাঘাটের মন্দাকিনী ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড হসপিটাল, কৃষ্ণনগরের ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্স প্রাইভেট লিমিটেড, রঘুনাথগঞ্জের জাকির হোসেন মেডিকেল কলেজ এবং রিসার্চ ইনস্টিটিউট।এছাড়া স্নাতক স্তরে ডাক্তারি পড়ুয়া ভর্তি করার জন্য এই মেডিক্যাল কলেজগুলি ছাড়পত্র পেয়ে গিয়েছে। আবার এমবিবিএস আসন বাড়ছে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল, মালদা মেডিক্যাল, কামারহাটির সাগর দত্ত মেডিক্যাল, জোকার ইএসআই মেডিক্যাল কলেজ। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।