অফিসের তাড়ায় প্রাতরাশের সময় হয় না? সোহা আলি খান দিলেন সহজ সমাধান

31st March 2024 7:22 pm Country News
অফিসের তাড়ায় প্রাতরাশের সময় হয় না? সোহা আলি খান দিলেন সহজ সমাধান


পুষ্টিবিদদের মতে, প্রাতরাশ সারা দিনের খাবারগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই জন্য সকালের জলখাবারে ভারী অথচ পুষ্টিকর খাবার রাখার পরামর্শ বারে বারেই তাঁরা দিয়ে থাকেন। সকালের অফিস বেরোনোর তাড়ায় অনেকেই বুঝতে পারেন না, কী খাওয়া উচিত। সঠিক পরিকল্পনার অভাবে অনেক সময় অস্বাস্থ্যকর খাবারদাবার খাওয়া হয়ে যায়। এতে সারা দিনই শারীরিক অস্বস্তিতে কাটে। এমন অনেক খাবারই রয়েছে, যেগুলিকে আপাতদৃষ্টিতে স্বাস্থ্যকর মনে হলেও, আদতে তা নয়। অনেকেই প্রাতরাশে এমন খাবার খেয়ে ফেলেন, যা মেদ ঝরানোর পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেয়। অভিনেত্রী সোহা আলি খান নিজে খুবই স্বাস্থ্য সচেতন। অভিনেত্রী তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে বেশ কিছু প্রাতরাশ রেসিপির হদিস দিয়েছেন। জেনে নিন, ফিট থাকতে সোহা তাঁর প্রাতরাশে কী কী রাখেন।

 

গ্রিক ইয়োগার্ট: সোহা মাঝেমধ্যেই প্রাতরাশে গ্রিক ইয়োগার্ট রাখেন। গ্রিক ইয়োগার্ট প্রোটিনের ভাল উৎস। পেশির শক্তি বৃদ্ধি করতে এবং পেশি মেরামতের জন্য প্রোটিন জরুরি। ইয়োগার্টের পুষ্টিগুণ আরও বাড়ানোর জন্য, সোহা তাতে এক মুঠো কাঠবাদামও দিয়ে দেন। গ্রিক ইয়োগার্ট এবং বাদামের মিশ্রণ রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

 

ওট্‌স-বাদাম: এই খাবার বানানোর পদ্ধতি সহজ এবং এটি পুষ্টিকরও বটে। যাঁরা ওজন কমানোর পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য প্রাতরাশে ওটস উপযুক্ত। এই খাবার দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভর্তি রাখে। ওটসে ক্যালোরির মাত্রাও অত্যন্ত কম। সোহা প্রায়শই নিজের প্রাতরাশে ওট্স রাখেন। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য ওটসে তিনি মিশিয়ে নেন কাঠবাদাম কুচি এবং বিভিন্ন ধরনের মরসুমি ফল।

কিনুয়া: ওট্স ছাড়া সোহা মাঝেমধ্যে প্রাতরাশে কিনুয়াও খান। কিনুয়া সেদ্ধ করে নিয়ে তার সঙ্গে কলা, পিনাট বাটার, কাঠবাদাম কুচি ছড়িয়ে সুস্বাদু প্রাতরাশ বানিয়ে ফেলা যায় সহজেই। সোহার মতে, এই প্রাতরাশ খেয়ে তিনি সারা দিন চনমনে থাকেন। শরীর চাঙ্গা রাখতে এই জলখাবারে ভরসা রাখাই যায়





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।