বাড়িতে বন্ধুদের ডেকেছেন? সন্ধ্যাবেলার স্ন্যাকসে বানিয়ে ফেলুন ফিশ রোল, রইল রেসিপি

31st March 2024 7:21 pm Country News
বাড়িতে বন্ধুদের ডেকেছেন? সন্ধ্যাবেলার স্ন্যাকসে বানিয়ে ফেলুন ফিশ রোল, রইল রেসিপি


বিয়েবাড়ি হোক কিংবা বিশেষ দিনের ভূরিভোজ কিংবা হোক জমজামাটি আড্ডার আসর— ফিশ ফ্রাই ছাড়া বাঙালির মেনু যেন অসম্পূর্ণ। যে কোনও কেবিনে খেতে গেলেও সবার আগে মেনুকার্ডে ফিশ ফ্রাইটাই চোখে পড়ে। কলকাতা ভেটকির ফিশ ফ্রাই তো অনেক খেয়েছেন, তবে ফ্রাইয়ের ভিতর যদি চিংড়ির হদিস পাওয়া যায়, তা হলে কেমন হয়? বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ভেটকি-চিংড়ির ফিশ রোল! জেনে নিন, সহজ রেসিপি।

 

উপকরণ:

 

ভেটকি মাছ: ৭৫০ গ্রাম

 

সাদা তেল: ২৫০ গ্রাম

 

পেঁয়াজ: আধ কাপ

 

গোলমরিচ গুঁড়ো: ১ চামচ

 

আলু: ১০০ গ্রাম

 

কুচো চিংড়ি: ২৫০ গ্রাম

 

ধনেপাতা কুচি: ৫০ গ্রাম

 

কাঁচালঙ্কা কুচি: ৭-৮ টি

 

ডিম: ৩ টি

 

লেবুর রস: ৪ চামচ

 

বিস্কুটের গুঁড়ো: ২০০ গ্রাম

 

নুন: স্বাদমতো

 

গোলমরিচের গুঁড়ো: ২ টেবিল চামচ

 

তেঁতুলের ক্বাথ: ২-৩ টেবিল চামচ

 

প্রণালী:

 

পাতলা ও চওড়া করে ফিলে করা ভেটকি মাছ ভাল করে ধুয়ে লেবুর রস, নুন ও গোলমরিচ মাখিয়ে রাখুন। ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা, তেঁতুল ও আন্দাজমতো নুন দিয়ে একটা চাটনি তৈরি করে নিন। তার পর চিংড়ি ভাজা, কাঁচা লঙ্কা কুচি ও ধনেপাতা কুচি, গোলমরিচ গুঁড়ো, আলু সেদ্ধ, পেঁয়াজ ভাজা ও নুন একসঙ্গে মিশিয়ে পুর তৈরি করুন। মাছের ফিলেগুলি চাটনিতে মাখিয়ে মাঝখানে পুর ভরে রোল বানিয়ে নিতে হবে। একটি পাত্রে ডিম ফেটিয়ে তাতে মাছের রোলগুলি ভিজিয়ে বিস্কুটের গুঁড়ো মাখিয়ে ডুবো তেলে ভাজতে হবে। তা হলেই তৈরি ভেটকি-চিংড়ির রোল।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।