ভাঙের সঙ্গে বন্ধুকে কেনা মিষ্টি খাওয়াবেন কেন? বাড়িতে তৈরি করে ফেলতে পারেন চকোলেট গুজিয়া

23rd March 2024 8:57 pm Country News
ভাঙের সঙ্গে বন্ধুকে কেনা মিষ্টি খাওয়াবেন কেন? বাড়িতে তৈরি করে ফেলতে পারেন চকোলেট গুজিয়া


দোলের দিন রং খেলতে বাড়িতে বন্ধুরা আসবেন। সঙ্গে থাকবে তাদের কুচোকাঁচারাও। বড়রা তো প্রায় সবই খান। কিন্তু এমন কিছু খাবার তৈরি করতে হবে, যাতে ছোটদেরও ভাল লাগে। ভাং, ঠান্ডাই, বাদামের শরবত, ক্ষীরের নানা রকম মিষ্টির আয়োজন তো থাকবেই। তবে এ বছর দোলে বাড়িতে বানিয়ে ফেলতে পারেন দোল বা হোলির বিশেষ একটি মিষ্টি। সেটি হল গুজিয়া। তবে, সেই গুজিয়ার মধ্যে থাকবে চকোলেটের টুইস্ট। বাচ্চাদেরও খেতে ভাল লাগবে। কী ভাবে করবেন? রইল সেই প্রণালী।

উপকরণ:

 

ময়দা: ১ কাপ

ঘি: ৩ টেবিল চামচ

 

নুন: সামান্য

 

জল: ১ কাপ

 

গুজিয়ার পুরের জন্য:

 

খোয়া ক্ষীর: ২ কাপ

 

চিনি: ২ কাপ

 

ছোট এলাচের গুঁড়ো: এক চিমটে

 

চকোলেট চিপ্‌স: আধ কাপ

 

সাদা তেল: ২ কাপ

 

প্রণালী:

 

১) প্রথমে গুজিয়ার খোল তৈরি করতে হবে। তার জন্য একটি পাত্রে ময়দা, নুন এবং ঘি ভাল করে মিশিয়ে জল দিয়ে একটি মণ্ড তৈরি করে নিন। ময়দা মাখা মণ্ডের উপর শুকনো কাপড় ঢাকা দিয়ে আধ ঘণ্টা রেখে দিতে পারলে ভাল হয়।

 

২) অন্য দিকে গুজিয়ার পুর তৈরি করে নিন। কড়াইয়ে খোয়া ক্ষীর, চিনি ভাল করে পাক দিয়ে নিন। উপর থেকে ছোট এলাচের গুঁড়ো ছড়িয়ে নামিয়ে রাখুন। ঠান্ডা হলে চকোলেট চিপ্‌স মিশিয়ে নিন।

 

৩) এ বার ময়দার মণ্ড থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে বেলে নিন। ভিতরে ক্ষীর এবং চকোলেটের পুর ভরে ময়দার খোলের চারধারে সামান্য জল দিয়ে, মাঝখান থেকে ভাঁজ করে মুড়ে নিন। দেখতে অনেকটা অর্ধচন্দ্রের মতো হবে।

৪) এ বার ভাঁজ করা ওই ধারটির গায়ে কাঁটা চামচ দিয়ে চেপে চেপে দাগ করে দিন। অনেকেই হাত দিয়ে গুজিয়ার খোলের গায়ে বিনুনিও করে দেন।

 

৫) একটি পাত্রে জল, চিনি এবং ছোট এলাচ দিয়ে সিরা তৈরি করুন।

 

৬) এ বার অন্য একটি কড়াইতে তেল গরম করে গুজিয়া সোনালি করে ভেজে সঙ্গে সঙ্গে চিনির সিরায় ডুবিয়ে দিন।

 

৭) কিছু ক্ষণ রেখে তুলে নিন। খেয়াল রাখবেন, গুজিয়া যেন খুব নরম না হয়ে যায়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।