গরম পড়ছে, গ্রীষ্মকালেও ত্বকে বসন্তের ছোঁয়া থাকবে যদি মেনে চলেন কিছু নিয়ম

15th March 2024 9:51 pm Country News
গরম পড়ছে, গ্রীষ্মকালেও ত্বকে বসন্তের ছোঁয়া থাকবে যদি মেনে চলেন কিছু নিয়ম


বসন্ত এবং গ্রীষ্মের এই সন্ধিক্ষণে বদল ঘটে আবহাওয়ার। শরীরের হাল যেমন খারাপ হতে থাকে, তেমনই আবহাওয়ার প্রভাব পড়ে ত্বকের উপর। শুষ্কতা, রুক্ষতা, চুলকানি এই ঋতুতে ত্বকের নিত্যসঙ্গী হয়ে ওঠে। ফলে বসন্তে ত্বকের চাই বাড়তি যত্ন। তার জন্য ঘন বিউটি পার্লারে যাওয়ার দরকার নেই। কিছু নিয়ম মেনে চললে শুধু মন নয়, ত্বকেও আসবে বসন্তের ছোঁয়া।

১) নারকেল তেল ব্যবহার করুন। বিশুদ্ধ নারকেল তেল স্নানের আগে কিংবা পরে সারা শরীরে মাখতে পারেন। তাতে ত্বক মসৃণ হয়। আবার খাঁটি নারকেল তেল তেমন ভারী নয়, তাই এ সময়ে সূর্যের তাপ বাড়লেও নারকেল তেলের কারণে ত্বকে তেমন অস্বস্তি হবে না।

 

২) দিনে তিন বার অন্তত ভাল ভাবে মুখ-হাত পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার মাখুন। তাতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। এই সময়ে ত্বকের শুকিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বেশি। তাই ময়েশ্চারাইজ়ার মাখা অত্যন্ত জরুরি।

৩) এই সময়ে বাইরে বেরোনোর আগে ত্বকে সানস্ক্রিন মেখে নিতে ভুলবেন না। অল্প সময়ের জন্য বেরোলেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। চড়া রোদে বেরোনোর আগে সব সময়ে বেশি এসপিএফের সানস্ক্রিন বেরোনোই ভাল। সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বক সুরক্ষিত রাখতে বেশি এসপিএফের সানস্ক্রিন মাখা জরুরি।

৪) বসন্তে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতে ব্যবহার করুন টোনার। ত্বক সতেজ রাখতে টোনার ব্যবহার করা প্রয়োজন। এই সময়ে ত্বক বেশি তৈলাক্ত হয়ে যায়। তেল জমে ত্বকের ছিদ্রমুখে জমা হয়। জমে থাকা এই তৈলাক্ত উপাদান দূর করতে টোনার দারুণ কাজ করে। গোলাপ জল, জাফরন ও টোনার একসঙ্গে মিশিয়ে রাতে ঘুমনোর আগে ত্বকে মাখতে পারেন। ত্বক মসৃণ, নরম ও পরিষ্কার থাকবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।