চাবি হারিয়ে গেলেও তালা খুলতে পারবেন উপায় জানুন

14th March 2024 11:56 am Country News
চাবি হারিয়ে গেলেও তালা খুলতে পারবেন উপায় জানুন


চাবি হারানোর ঘটনা প্রত্যেকের জীবনেই ঘটে। যদিও চটজলদি এই সমস্যার সমাধানও সম্ভব। তার জন্য যেতে হবে না পেশাদার কারও কাছে। কাজটি নিজেই করে ফেলতে পারবেন। কী ভাবে? জেনে নিন সেই উপায়।অনলাইনে অনেকেই দাবি করেছেন, এই কাজটি করার জন্য হাতের কাছে এক বাক্স দেশলাই থাকলেই হলো। কীভাবে দেশলাই ব্যবহার করে তালা খোলার কথা বলছেন তারা?জেনে নিন সেই পদ্ধতি।

• প্রথমেই দেশলাই কাঠিগুলোর ডগা থেকে বারুদ ছাড়িয়ে নিতে হবে। তবে মনে রাখবেন, বারুদ সমেত একটি কাঠি রেখে দেবেন। সেটি পরে কাজে লাগবে।

• সব কাঠির ডগা থেকে বারুদ ছাড়িয়ে নেওয়ার পর সব বারুদ একসঙ্গে একটি কাগজের মধ্যে রাখতে হবে।

• কাগজ থেকে সেই বারুদ আস্তে আস্তে তালার ফুটার মধ্যে ঢেলে দিতে হবে।

• এবার চাবি ঢোকানোর ওই ফুটার মধ্যে আস্ত দেশলাই কাঠিটি গুঁজে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, দেশলাই কাঠির বারুদের অংশটি থাকবে বাইরের দিকে।

• এর পরে পুরো দেশলাই কাঠিটির বারুদে আগুন দিতে হবে। বারুদ জ্বলে যাওয়ার পরে আগুন আস্তে আস্তে কাঠির নিচের দিকে ছড়িয়ে পড়বে। এবং শেষে গিয়ে আগুনটি তালার ভিতরে সেই জায়গায় পৌঁছবে, যেখানে গুঁড়া বারুদ রয়েছে।

• এই সময়ে তালা থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকাই ভাল। কারণ হালকা বিস্ফোরণ হতে পারে তালার মধ্যে।

• এই বিস্ফোরণের পরে তালা খুলে যাবে।

তবে এভাবে ছোটখাটো তালাই খোলা সম্ভব। বড় তালা খোলার জন্য পেশাদার কারও সাহায্য নিতেই হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।