আর কোথাও যেতে হবে না ঘরে বসেই সহজে চটজলদি বানান ড্রাইভিং লাইসেন্স

13th March 2024 4:14 pm Country News
আর কোথাও যেতে হবে না ঘরে বসেই সহজে চটজলদি বানান ড্রাইভিং লাইসেন্স


গাড়ি চালানোর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving License) অবশ্যই দরকার। সেটি ছাড়া গাড়ি চালানো কখনওই উচিত নয়। তবে তার জন্য অনেক সময় সরকারি দফতরের দরজায় দরজায় ঘুরতে হয়। কিন্তু এখন আর ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরির জন্য আপনাকে সরকারি দফতরের দরজায় দরজায় ঘুরতে হবে না। এখানেও রয়েছে অনলাইনের সুবিধা।অনলাইনেই করা যাবে আবেদন। কারণ জনস্বার্থে এই সংক্রান্ত বিষয়গুলি অনলাইনে নিয়ে এসেছে সরকার।

ভারতের যে কোনও রাজ্যর বাসিন্দারাই এই অনলাইনের পরিষেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এর জন্য Ministry of Road Transport & Highways-এর ওয়বসাইটে যেতে হবে। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ১৬-১৮ বছর বয়স পর্যন্ত লার্নিং ড্রাইভিং লাইসেন্সেরও আবেদন করা যাবে। ওয়েবাসাইটে অনলাইন সার্ভিসেস অপশান থেকে Driving License Related Services অপশানটি সিলেক্ট করতে হবে। এরপর ড্রপআউট মেনু থেকে Apply For Learner License-এ ক্লিক করতে হবে।

লার্নার লাইসেন্স টেস্ট

যদি আধারের মাধ্যমে eKYC করা হয়, তাহলে RTO অফিসে গিয়ে টেস্ট দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। বাড়ি থেকেই দেওয়া যাবে লার্নার টেস্ট। আর যদি non-Aadhaar eKYC সিলেক্ট করেন, তাহলে RTO অফিসে যেতে হবে। এরপর Aadhaar Authentication সিলেক্ট করে আধার নম্বর দিতে হবে। যার জেরে রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে আসবে ওটিপি। অনলাইন টেস্টের জন্য লগ ইন ডিটেইলস SMS-এর মাধ্যমে রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে আসবে। অফলাইন টেস্টের জন্য RTO অফিসে যেতে হবে।

এভাবে করুন আবেদন

সবচেয়ে প্রথমে নিজের বিবরণ দিন

এরপর সমস্ত ডকুমেন্ট আপলোড করুন

যদি আবশ্যক হয় তবে ফটো ও ছবি আপলোড করুন

ডিএল টেস্ট স্লট বুকিং

শুল্ক দিন

পেমেন্ট স্টেটাস ভেরিফাই করুন

রসিদ প্রিন্ট করুন

মনে রাখবেন, কখনওই বৈধ ও উপযুক্ত লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাবেন না। কারণ লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালান আইনত দন্ডনীয়। আর তার জন্য চালকের জরিমান হতে পারে। আর লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি নিয়ে কোনও দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলে বাজেয়াপ্ত হতে পারে গাড়িও।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।