অম্বানীদের হবু পূত্রবধূ রাধিকার বাবা-মায়ের পরিচয় কী? তাঁদের সম্পত্তির পরিমাণই বা কত?

13th March 2024 9:20 am Country News
অম্বানীদের হবু পূত্রবধূ রাধিকার বাবা-মায়ের পরিচয় কী? তাঁদের সম্পত্তির পরিমাণই বা কত?


সমাজমাধ্যম খুললেই এখন চোখে পড়বে রিলায়্যান্সের কর্ণধার মুকেশ অম্বানীর কনিষ্ঠ পুত্র অনন্ত অম্বানী এবং রাধিকা মার্চেন্টের প্রাক্‌-বিবাহ সমারোহের ছবি। রাধিকা এখন বেশ পরিচিত মুখ। কেবল অম্বানীদের পূত্রবধূ হিসাবেই নন, রাধিকা এখন এক জন ফ্যাশনিস্তাও বটে। মুকেশ-পত্নী নীতা অম্বানীর সাজগোজ, পোশাক-আশাক যেমন বি-টাউনের চর্চার বিষয়, তেমনই চর্চা চলে রাধিকাকে নিয়েও। সাজগোজে শাশুড়িকে টেক্কা দিতে পিছিয়ে নেই রাধিকা। নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি নাচেও বেশ আগ্রহ রয়েছে তাঁর। রাধিকা এক জন নৃত্যশিল্পীও বটে। এ বছরেই ১২ জুলাই অনন্তের সঙ্গে বিয়ে হতে চলেছে রাধিকার।

১৯৯৪ সালে ১৮ ডিসেম্বর জন্ম হয় রাধিকার। বয়স এখন ২৯ বছর। প্রভাবশালী ব্যবসায়ী বীরেন মার্চেন্টের কন্যা রাধিকা। অম্বানী পরিবারের সঙ্গেও তাঁর বহু দিনের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। এনকোর হেল্থকেয়ার সংস্থার সিইও এবং ভাইস চেয়ারম্যান হলেন বীরেন। এনকোর ন্যাচরাল পলিমার প্রাইভেট লিমিটেড, জ়েডওয়াইজি ফার্মা প্রাইভেট লিমিটেড, সাইদর্শন বিজ়নেস সেন্টারস প্রাইভেট লিমিটেড— এই সমস্ত সংস্থার ডিরেক্টর হলেন বীরেন। অন্য দিকে রাধিকার মা শীলা মার্চেন্ট এনকোর হেল্থকেয়ারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে রয়েছেন। এ ছাড়াও অথর্ব ইমপ্লেক্স প্রাইভেট লিমিটেড, হাভেলি ট্রেডার্স প্রাইভেট লিমিটেড, স্বস্তিক এগজ়িম প্রাইভেট লিমিটেডের মতো সংস্থাগুলির উচ্চ পদে রয়েছেন শীলা। এই দম্পতির মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা।

ছোট থেকেই পরস্পরকে চিনতেন রাধিকা এবং অনন্ত। ‘বিশেষ’ বন্ধু রাধিকার সঙ্গে অনন্তকে প্রায়ই দেখা যেত নানা অনুষ্ঠানে। তবে অনন্তের সঙ্গে রাধিকার বিয়ের জল্পনা জোরালো হয়েছে প্রিয়ঙ্কা চোপড়া এবং নিক জোনাসের বিয়েতে। জোধপুরে প্রিয়ঙ্কা-নিকের বিয়েতে অম্বানী পরিবারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাধিকাও। পরিবারের সঙ্গে মন্দিরে যাওয়াই হোক কিংবা বলিউডের কোনও বিয়ের অনুষ্ঠান, অম্বানী পরিবারের সঙ্গে সব সময় দেখা দিয়েছেন রাধিকা। রাধিকাকে বরাবর আগলে আগলেই রেখেছেন অনন্তের মা নীতা অম্বানী। বিভিন্ন সময় পৌঁছে গিয়েছেন রাধিকার নৃত্যানুষ্ঠানেও। প্রথম থেকেই রাধিকাকে পছন্দ অম্বানীদের। তবে সেটাই যে একমাত্র কারণ, তেমন নয়। রাধিকা ও অনন্ত, দু’জনেই পশুপ্রেমী। এই বিষয়টিই আরও কাছাকাছি এনেছে তাঁদের। পশু সংরক্ষণ ও তাদের কল্যাণের কথা মাথায় রেখে সদ্য ‘বনতারা’ উদ্যোগ চালু করেছেন অনন্ত। গোটাটাই করেছেন গুজরাতের জামনগরে। সেই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন রাধিকাও। দু’জনের পশুদের নিয়ে যে চিন্তাভাবনা ছিল, তারই প্রাথমিক রূপায়ণ এটি।

 পারিবারিক বন্ধু হলেও সম্পত্তির নিরিখে অম্বানীদের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন মার্চেন্টরা। যেখানে মার্চেন্টদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৭৫০ কোটি টাকা, সেখানে ১২৫৯ কোটি টাকা কেবল রাধিকা-অনন্তের প্রাক্-বিবাহ অনুষ্ঠানেই খরচ করেছেন অম্বানীরা। প্রাক্-বিবাহ সমারোহে নীতা অম্বানী পরেছিলেন প্রায় ৫০০ কোটি টাকার একটি হার।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।