ওজন কমাতে ডায়েটে কারা দইয়ের বদলে ঘোল রাখবেন? রোজ এই পানীয় খেলে কী কী লাভ হয় শরীরের?

10th March 2024 9:25 am Country News
ওজন কমাতে ডায়েটে কারা দইয়ের বদলে ঘোল রাখবেন? রোজ এই পানীয় খেলে কী কী লাভ হয় শরীরের?


দুয়ারে বসন্ত। ইতিমধ্যেই গরমের আঁচ ভাল মতোই টের পেতে শুরু করেছে রাজ্যবাসী। গরমের হাত থেকে মুক্তি পেতে ঘোল, লস্যি, ছাঁচ— এ সব পানীয়ের উপরেই ভরসা রেখেছেন। অনেকে আবার গোটা গরম কাল জুড়েই টক দই দিয়ে ভাত খান। অনেকের আবার টক দই খেলে হজম হয় না। সে ক্ষেত্রে টক দই দিয়ে বানানো ঘোল অনেক বেশি সহজপাচ্য। ঘোল যে শুধু হজমে সহায়ক, তা নয়, পেটের যে কোনও সমস্যাতেই ঘোল খাওয়া যায়। জেনে নিন, গ্রীষ্মের ডায়েটে রোজ ঘোল খেলে কী কী উপকার হয়।

১) ঘোল এবং দই, উভয়েই প্রোবায়োটিক, তাই অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে দু’টিই সমান উপকারী। তবে, জলের পরিমাণ বেশি থাকায় হজমের সমস্যা দূর করতে এবং শরীর ঠান্ডা রাখতে বেশি সাহায্য করে ঘোল। ভারী খাবারের পর এক গ্লাস দইয়ের ঘোল অম্বলের মতো সমস্যার দাওয়াই হতে পারে।

 

২) পেটের সংক্রমণ, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার দাওয়াই হতে পারে ঘোল। অনেকেই সারা বছর এমন সমস্যায় ভোগেন। গরমের সময় তাঁরা ডায়েটে নিয়ম করে ঘোল রাখতেই পারেন। উপকার পাবেন।

৩) ঘোলে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ, ভিটামিন বি, পটাশিয়াম, উচ্চ প্রোটিন। এতগুলি স্বাস্থ্যকর উপাদান সমৃদ্ধ ঘোল শরীরে ভিটামিন-সহ বাকি উপাদানগুলির ঘাটতি পূরণ করে।

৪) রোগা হতে গিয়ে কত পরিশ্রমই না করেন অনেকে! কিন্তু ঘোল খেয়েও যে রোগা হওয়া যায়, তা কি জানতেন? ক্যালশিয়াম, মিনারেল, ভিটামিন সমৃদ্ধ দইয়ের ঘোলে ফ্যাট নেই বললেই চলে। এক গ্লাস ঘোল খেলে পেটও অনেক ক্ষণ ভরা থাকে। ফলে বার বার খাওয়ার প্রবণতাও কমে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।