অ্যালার্জির ভয়ে চিংড়ি খেতে পারেন না? মালাইকারি বানিয়ে ফেলুন ভেটকি মাছ দিয়ে, রইল রেসিপি

6th March 2024 5:33 pm Country News
অ্যালার্জির ভয়ে চিংড়ি খেতে পারেন না? মালাইকারি বানিয়ে ফেলুন ভেটকি মাছ দিয়ে, রইল রেসিপি


চিংড়ির মালাইকারি খেতে ভালবাসেন। কিন্তু অ্যালার্জির ভয়ে তা খেতে পারেন না। অথচ এমন একটি পদের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হওয়ার শোক কিছুতেই ভুলতে পারেন না। বাজারে তো আরও অনেক মাছ পাওয়া যায়। তা দিয়ে মালাইকারি রেঁধে দেখেছেন। খেতে তেমন ভাল লাগেনি। তবে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে চিংড়ির বদলে কিন্তু ভেটকি রাখা যেতেই পারে। কী ভাবে রাঁধবেন ভেটকি মাছের মালাইকারি? রইল প্রণালী।

উপকরণ:

 

ভেটকি মাছ: ৫-৬ টুকরো

 

সর্ষের তেল: পরিমাণ মতো

 

পেঁয়াজ: ১ টি

 

আদা: কয়েক টুকরো

 

রসুন: ১০ কোয়া

 

কাজুবাদাম: ১০টি

 

নারকেলের দুধ: আধ কাপ

 

পোস্ত: ২ টেবিল চামচ

 

টোম্যাটো কুচি: আধ কাপ

 

কাঁচালঙ্কা: ২টি

 

কোরানো নারকেল: আধ কাপ

 

গোটা গরম মশলা: ১ টেবিল চামচ

 

তেজপাতা: ১টি

 

হলুদ গুঁড়ো: আধ চা চামচ

 

জিরে গুঁড়ো: আধ চা চামচ

 

ধনে গুঁড়ো: আধ চা চামচ

 

নুন: স্বাদ অনুযায়ী

 

চিনি: স্বাদ অনুযায়ী

 

প্রণালী:

 

১) প্রথমে ভেটকি মাছগুলো ভাল করে ধুয়ে, নুন এবং হলুদ মাখিয়ে রাখুন।

 

২) এ বার মিক্সিতে পেঁয়াজ, আদা, রসুন বেটে নিন। কাজুবাদাম, পোস্ত এবং নারকেল কোরাও আলাদা করে বেটে নিতে হবে।

 

৩) কড়াইতে তেল গরম হলে ভেটকি মাছগুলো হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন।

 

৪) ওই তেলের মধ্যেই দিয়ে দিন গোটা গরম মশলা, তেজপাতা। পেঁয়াজ, আদা এবং রসুন বাটা দিয়ে ভাল করে ভেজে নিন। এর পর দিন টোম্যাটো কুচি এবং কাঁচালঙ্কা। 

৫) ভাজার গন্ধ বেরোলে হলুদ, জিরে এবং ধনে গুঁড়ো দিয়ে নাড়াচাড়া করতে হবে। তার পর দিতে হবে কাজু, পোস্ত এবং নারকেল বাটার পেস্ট।

 

৬) ভাল করে কষিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল বেরোতে শুরু করলে তার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে নারকেলের দুধ। প্রয়োজনে সামান্য জল দেওয়া যেতে পারে। এই সময়েই দিতে হবে নুন এবং চিনি।

 

৭) ঝোল ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মাছগুলো দিয়ে দিতে হবে। মিনিট পাঁচেক ফুটিয়ে নামিয়ে নিলেই তৈরি ভেটকি মাছের মালাইকারি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।