সুগন্ধির গন্ধ কিছুতেই টেকে না? ৫ উপায় জানা থাকলেই দীর্ঘস্থায়ী হবে সুবাস

4th March 2024 9:03 pm Country News
সুগন্ধির গন্ধ কিছুতেই টেকে না? ৫ উপায় জানা থাকলেই দীর্ঘস্থায়ী হবে সুবাস


সহকর্মীর ব্যবহার করা সুগন্ধির গন্ধ নাকে আসতেই যেন মন ভরে যায়। তাঁর থেকে সুগন্ধির নামটা জেনে খুব শখ করে দামি একটি সুগন্ধি কিনে আনলেন। সেজেগুজে সুগন্ধি লাগিয়ে হয়তো বিশেষ বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে বেরোলেন। অথচ গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই দামি সুগন্ধির গন্ধ গেল মিলিয়ে। সহকর্মীর গায়ে তো অনেক ক্ষণ টিকে থাকে গন্ধ, অথচ আপনার এই হাল কেন, ভেবেই নাজেহাল? তা হলে সুগন্ধি ব্যবহার করার সময়ে আপনার কোনও ভুলভ্রান্তি হচ্ছে না তো? কিছু অভ্যাসের জন্যও সুগন্ধির রেশ তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যেতে পারে।

১) অনেকের অভ্যাস, বাথরুমে বাকি প্রসাধনীর সঙ্গে সুগন্ধিও রেখে দেওয়া। কিন্তু স্নানঘরের ভিতরে আর্দ্রতা সব সময়ে বেশি থাকে। সুগন্ধি রাখতে হয় একটু অন্ধকার কিন্তু শুকনো জায়গায়।

 

২) পাল্‌স পয়েন্টে সুগন্ধি লাগালে সেটা অনেক ক্ষণ থাকে, এ কথা সত্যি। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষই লাগানোর পর হাত দু’টো ঘষে নেন। এটা করলে কিন্তু গন্ধ টিকে থাকে না, বরং উবে যায়। তার চেয়ে হাওয়ায় শুকোতে দিন।

৩) অনেকে ব্যবহারের আগে সুগন্ধির শিশি ঝাঁকিয়ে নেন। কিন্তু এতে হিতে বিপরীত হয়। সুগন্ধির সঙ্গে হাওয়া মিশলে তার আসল গন্ধ উবে যায়।

৪) স্নানের ঠিক পরে ত্বকের রন্ধ্রগুলি খোলা থাকে, সেই সময়টি ত্বকে সুগন্ধি লাগানোর জন্য আদর্শ। স্নান সেরে গায়ে ময়শ্চারাইজ়ার ব্যবহার করে নিয়ে সুগন্ধি লাগিয়ে ফেলতে পারেন। গন্ধ দীর্ঘ ক্ষণ টিকে থাকবে।

 

৫) যদি সুগন্ধি স্প্রে করার আগে সেই জায়গায় একটু পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে পারেন, তা হলে অনেক ক্ষণ গন্ধ টিকে থাকবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।