তাপ দিয়ে চুলের বারোটা বাজাতে চান না, স্ট্রেট চুলের জন্য ঘরোয়া ৩ প্যাক মেখেই দেখুন!

3rd March 2024 10:29 pm Country News
তাপ দিয়ে চুলের বারোটা বাজাতে চান না, স্ট্রেট চুলের জন্য ঘরোয়া ৩ প্যাক মেখেই দেখুন!


জন্ম থেকেই কোঁকড়ানো চুল। দেখতে ভাল লাগলেও কোঁকড়ানো চুলের যত্ন নেওয়া বেশ ঝক্কির। খোলা রাখলে অল্পতেই জট পড়ে যায়। বিশেষ কায়দাও করা যায় না। আবার দৈর্ঘ্যে বাড়লেও তা বোঝা যায় না। ঝোপের মতো বাড়তে থাকা চুল নিয়ে অনেকেই বিরক্ত বোধ করেন। তাই সালোঁয় গিয়ে কেরাটিন, স্মুদনিং, স্ট্রেটনিং করিয়ে আসেন। এতে সাময়িক ভাবে চুল দেখতে ভাল লাগলেও এগুলি করতে যে ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, সেগুলি চুলের স্বাস্থ্যের জন্য মোটেই ভাল নয়। তবে সালোঁয় না গিয়ে ঘরে বসেও কিন্তু চুল সোজা করা যায়। তার জন্য কী করতে হবে? চুলের ধরন বুঝে নীচে দেওয়া যে কোনও তিনটি প্যাকের মধ্যে একটি মেখে ফেললেই কাজ হবে।

১) পাকা কলা ও টক দই:

 

টক দই খুশকি দূর করতে সাহায্য করে আর পাকা কলা চুল নরম করে। মিক্সিতে পাকা কলা এবং দু’চামচ টক দই ঘুরিয়ে একটি মিশ্রণ বানিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় লাগিয়ে ঘণ্টাখানেক রেখে দিন। মিশ্রণটি শুকিয়ে এলে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে ২-৩ দিন এটি ব্যবহার করুন। চুল মসৃণ ও সোজা হবে।

২) ডিম ও অলিভ অয়েল:

 

ডিম এবং অলিভ অয়েল, দুই-ই চুলের পুষ্টি জোগায়। দু’টি ডিমের কুসুম ও অলিভ অয়েল ভাল করে ফেটিয়ে নিন। এ বার এই মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় ভাল করে লাগিয়ে কিছু ক্ষণ রেখে দিন। শুকিয়ে এলে শ্যাম্পু করে নিন। যাঁদের চুল খুব রুক্ষ চুল, তাঁরা মসৃণ ও কোমল করতে এই মিশ্রণটি সপ্তাহে ৩-৪ দিন ব্যবহার করুন।

৩) মধু ও অ্যালো ভেরা:

 

চুলের যত্ন নিতে মধু ও অ্যালো ভেরার জুড়ি মেলা ভার। অ্যালো ভেরার জেলের সঙ্গে মধু মিশিয়ে সেই মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় লাগিয়ে ঘণ্টা দুয়েক রেখে দিন। তার পর শ্যাম্পু করে নিন। চুল কোমল ও মসৃণ করতে এক দিন অন্তর এই মিশ্রণটি ব্যবহার করুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।