রবিবার সন্ধ্যায় বাড়িতে বসবে আড্ডা? অতিথির জন্য বানিয়ে ফেলুন ককোরী কবাব, রইল প্রণালী

1st March 2024 9:09 pm Country News
রবিবার সন্ধ্যায় বাড়িতে বসবে আড্ডা? অতিথির জন্য বানিয়ে ফেলুন ককোরী কবাব, রইল প্রণালী


বন্ধুবান্ধব থেকে শুরু করে আত্মীয়-পরিজন, বাড়িতে ছোট-বড় জমায়েত লেগেই থাকে? অতিথিদের খুশি করতে কী রাঁধবেন ভেবেই নাজেহাল হতে হয়? কবাব খেতে কমবেশি সকলেই ভালবাসেন। তাই বাড়িতে কেউ এলে বানিয়ে ফেলুন মুরগির ককোরী কবাব। রইল রেসিপি।

উপকরণ:

 

হাড় ছাড়া মুরগির মাংস: ৫০০ গ্রাম

 

টক দই: আধ কাপ

 

ছাতু: ২-৩ টেবিল চামচ

 

গোলমরিচ গুঁড়ো: ১ টেবিল চামচ

 

গরম মশলা গুঁড়ো: ১ চা চামচ

 

লঙ্কা গুঁড়ো: ১ টেবিল চামচ

 

কবাব মশলা: ১ টেবিল চামচ

 

কাঁচালঙ্কা বাটা: ১ টেবিল চামচ

 

আদা-রসুন বাটা: ২ টেবিল চামচ

 

ধনেপাতা কুচি: ৩ টেবিল চামচ

 

সর্ষের তেল: ২ টেবিল টামচ

 

নুন: স্বাদমতো

 

কাঠি বা শিক: ৫টি

 

কয়লা: ১ টুকরো

প্রণালী:

 

মুরগির মাংসের টুকরোগুলি ভাল করে ধুয়ে মিক্সিতে ঘুরিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এ বার একটি পাত্রে সেই মিশ্রণটি নিয়ে একে একে টক দই, ছাতু, গোলমরিচ গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো, কবাব মশলা, আদা-রসুন বাটা, কাঁচা লঙ্কা কুচি, ধনেপাতা কুচি, নুন, সর্ষের তেল দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে রাখুন। এ বার পাত্রটি ঢাকা দিয়ে ফ্রিজ়ে তুলে রাখুন ২-৩ ঘণ্টার জন্য। ফ্রিজ় থেকে বার করে প্রয়োজনে মিশ্রণটি আরও আঁট করার জন্য পরিমাণ মতো ছাতু যোগ করুন। একটি ছোট পাত্রে গরম কয়লাটি রাখুন। এর পর সেই পাত্রটি মূল মিশ্রণের মধ্যে রেখে কয়লার উপর ঘি ঢেলে পাত্রের মুখটি ভাল করে ঢেকে দিন। যাতে ঘি ও পোড়া গন্ধ দুই-ই মাংসের মিশ্রণে মিশে যাবে। এ বার একটি শিক বা কাঠিতে তেল মাখিয়ে মাংসের মিশ্রণটি খানিকটা করে নিয়ে শিকের গায়ে কবাবের মতো গেঁথে নিন। গ্রিল চিহ্ন যুক্ত প্যানে সামান্য মাখন নিয়ে ভাল করে তাতিয়ে নিন। গেঁথে রাখা কবাবগুলি সেঁকে নিন। পুদিনার চাটনি আর পেঁয়াজের সঙ্গে গরমাগরম পরিবেশন করুন ককোরী কবাব।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।