শুধু কফি নয়, ক্যাফিন থাকে চকোলেটেও! বয়স অনুযায়ী কতটুকু ক্যাফিন শরীরের জন্য ভাল?

28th February 2024 12:24 am Country News
শুধু কফি নয়, ক্যাফিন থাকে চকোলেটেও! বয়স অনুযায়ী কতটুকু ক্যাফিন শরীরের জন্য ভাল?


অতিরিক্ত ক্যাফিন শরীরের জন্য ভাল নয়। তাই ক্যাফেতে গেলেও চায়ের খোঁজ করেন। পারতপক্ষে কফির কাপে চুমুক দেন না। অথচ শরীরের কথা ভেবেই রাতে ঘুমোনোর আগে একটু টুকরো ডার্ক চকোলেট খেয়ে নেন। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, কফি না খেলেও শরীরে ক্যাফিন প্রবেশ করার হাজার একটা উপায় রয়েছে। সময়ে-অসময়ে চা, চকোলেট কিংবা ঠান্ডা নরম পানীয় খেয়েই থাকেন। এই সব খাবারের মাধ্যমেও শরীরে ক্যাফিন প্রবেশ করতে পারে। তবে ক্যাফিন মানেই যে খারাপ তা কিন্তু নয়। তবে কতটা ক্যাফিন খাওয়া যায়, সে বিষয়ে জেনে রাখা ভাল।

কতটা ক্যাফিন শরীরে প্রয়োজন? আর কতটুকুই বা অতিরিক্ত?

 

পুষ্টিবিদেরা বলছেন, প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে পরিমাপটা ৪০০ মিলিগ্রামের আশপাশে। সেই অনুযায়ী, সারা দিনে যত বারই কফি খান না কেন, তা ৯৫ মিলিগ্রামের বেশি হওয়া উচিত নয়। অর্থাৎ তিন বা চার কাপ। তবে চকোলেটে যে পরিমাণ ক্যাফিন থাকে তার পরিমাণ কিন্তু আলাদা করে ধরতে হবে। আবার, ছোটদের অর্থাৎ চার থেকে ছ’বছর বয়সিদের ক্ষেত্রে এই পরিমাপটা দিনে ৪৫ মিলিগ্রাম ধার্য করা হয়েছে। সারা দিনে এক টুকরো ডার্ক চকোলেটে যে পরিমাণ ক্যাফিন থাকে, তাই তাদের জন্য যথেষ্ট। বয়স সাত থেকে ১২ হলে ক্যাফিনের পরিমাণ হবে ৭০ মিলিগ্রাম। কৈশোর অর্থাৎ ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সিরা ১০০ থেকে ২০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ক্যাফিন রোজ খেতে পারে। তবে, তার বেশি একেবারেই নয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।