সর্ষে দিয়ে রান্না করলেই তিতকুটে হয়ে যায়? কোন উপায় মেনে চললে ইলিশ ভাপার স্বাদ তেতো হবে না?

25th February 2024 3:23 pm Country News
সর্ষে দিয়ে রান্না করলেই তিতকুটে হয়ে যায়? কোন উপায় মেনে চললে ইলিশ ভাপার স্বাদ তেতো হবে না?


পাবদা মাছের ঝাল হোক কিংবা ভাপা ইলিশ— সর্ষেবাটা ছাড়া রান্নাই হবে না। চটজলদি মাছের পদ বানাতেও রাঁধুনিরা ভরসা রাখেন সর্ষের উপরেই। খিচুড়ির সঙ্গে চচ্চড়ি খাবেন? সর্ষেবাটা না দিলে কিন্তু তরকারির স্বাদ মোটেও ভাল হবে না। তবে সর্ষেবাটা দিয়ে রান্না করলে অনেক সময় সেই রান্না তেতো হয়ে যায়। মাঝেমধ্যেই রাঁধুনিরা এই সমস্যায় পড়েন। বাটার সময়ে কিছু ভুলেই এমনটা হয়। জেনে নিন, কী ভাবে সর্ষে বাটলে আর কখনও তেতো হবে না মিশ্রণটি।

১) বাড়িতে সর্ষে অনেক দিন ধরে মজুত থাকলে মাঝেমাঝে তা বার করে রোদে দিন। সর্ষে রান্না করার আগে আধ ঘণ্টা রোদে রাখতে পারলে খুব ভাল।

 

২) বাটার আগে পরিমাণ মতো সর্ষে নিয়ে ঈষদুষ্ণ জলে ভিজিয়ে রাখুন। এই পন্থা মানলে বাটা সর্ষে কখনও তেতো হবে না।

৩) সর্ষের সঙ্গে কাঁচালঙ্কা, নুন, হলুদ মিশিয়ে বাটুন। এতে স্বাদও ভাল হবে, আর সর্ষে তেতোও হবে না। শুধু কালো সর্ষে ব্যবহার করলে অনেক সময় রান্নায় প্রয়োজনের বেশি ঝাঁঝ হয়ে যায়। সাদা সর্ষে আর কালো সর্ষে একসঙ্গে মিশিয়ে বাটুন। এতে রান্নায় খুব বেশি ঝাঁঝও হবে না আর স্বাদও বাড়বে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।