বাড়িতে হঠাৎ অতিথি এসে পড়লে ডিম দিয়েই হয়ে যায় মুশকিল আসান! তবে ডিম রান্নার সময়ে কয়েকটি ভুল এড়িয়ে চলুন না হলে পরে আফসোস করবেন।

19th February 2024 10:25 pm Country News
বাড়িতে হঠাৎ অতিথি এসে পড়লে ডিম দিয়েই হয়ে যায় মুশকিল আসান! তবে ডিম রান্নার সময়ে কয়েকটি ভুল এড়িয়ে চলুন না হলে পরে আফসোস করবেন।


আচমকা বাড়িতে অতিথি এসে পড়েছেন, কী খেতে দেবেন, ভেবে না পেলে ডিম দিয়েই হয়ে যায় মুশকিল আসান! কাঁচালঙ্কা আর কুঁচো পেঁয়াজ দিয়ে অমলেট, না হয় ডিমের পকোড়া আর গরম চা। ব্যস, আর কী চাই! বাড়িতে মাছ, মাংস না থাকলে ডিমের ডালনা, ডিমের ধোকা কিংবা ডিম পোস্ত করে নিলেই ভাতের থালা একেবারে সাফ! প্রাতরাশ বানানোর সময় না পেলে একটা ডিম টোস্ট বানিয়েই অফিসের জন্য বেরিয়ে পড়লেন, পেটও ভরল আর খুব বেশি সময়ও লাগল না। বাঙালির হেঁশেলে ডিম থাকবেই থাকবে। তবে এই ডিম রান্নার সময়ে অজান্তেই আমরা কিছু ভুল করে ফেলি, জেনে নিন সেগুলি কী কী।

১) রোজের রান্নায় ডিম বেশি লাগে বলে অনেকেই বাড়িতে ডজন ডজন ডিম কিনে রাখেন। তবে ফ্রিজে ভরে না রাখলে কিন্তু ডিমগুলি খারাপ হতে খুব বেশি সময় লাগে না। অনেক সময়ে রান্না করতে গিয়ে একটা ডিম পচা বেরিয়ে যায়। তাই বাজার থেকে কিনে আনার পর একটি বড় গভীর কড়াইয়ে জল নিয়ে ডিমগুলি ডুবিয়ে রাখুন। যে ডিমগুলি জলের উপরে ভাসবে, সেইগুলি আদতে পচা, ব্যবহার না করাই ভাল।

 

২) বেকিংয়ের সময়ে ডিম ব্যবহার করার সময়ে সতর্ক থাকতে হবে। ফ্রিজ থেকে বার করা ঠান্ডা ডিম ভুলেও ব্যবহার করবেন না। নইলে কিন্তু কেক, কুকিজ় ঠিক মতো বেক হবে না। বেকিংয়ের সময়ে আগে ডিম ফ্রিজ থেকে বার করে রাখুন। ঘরের তাপমাত্রায় এলে তবেই ব্যবহার করুন।

৩) অল্প তেলে ডিমের অমলেট কিংবা পোঁচ রান্নার সময়ে কড়াইতে সেগুলি লেগে যায়। এগুলি রান্নার সময়ে ননস্টিক প্যান ব্যবহার করুন। ডিম সেদ্ধ করার সময় কানা উঁচু পাত্রের ব্যবহার করুন।

 

৪) ডিম সেদ্ধ করার সময়ে কত ক্ষণ ফোটাবেন তা ঠিক বুঝতে পারা যায় না। মোটামুটি সম্পূর্ণ সেদ্ধ ডিম চাইলে ১০ থেকে ১২ মিনিট ডিম সেদ্ধ করুন। তার পর গরম জলেই ডিমগুলি খানিক ক্ষণ রেখে দিন। ভাপেই সেগুলি সেদ্ধ হয়ে যাবে। বেশি ক্ষণ ধরে জলে ফোটালে কুসুমের স্বাদ বিগড়ে যায়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।