চিতল মাছের কাঁটা ছাড়ানো বেশ ঝক্কির! তাই মুইঠ্যা বানান চিংড়ি দিয়েই, রইল রেসিপি

18th February 2024 1:19 pm Country News
চিতল মাছের কাঁটা ছাড়ানো বেশ ঝক্কির! তাই মুইঠ্যা বানান চিংড়ি দিয়েই, রইল রেসিপি


চিংড়ি খেতে ভালবাসেন বলে প্রায়ই নানা রকম পদ বাড়িতে রাঁধা হয়। তবে চিংড়ি দিয়ে যে মুইঠ্যাও রাঁধা যায়, তা আগে জানতেন না। কিছু দিন আগে বন্ধুর বিয়েতে চিংড়ির মুইঠ্যা খেয়েছিলেন। তার স্বাদ এখনও মুখে লেগে আছে। চিরাচরিত মালাইকারি, ভাপা বা চচ্চড়ি ছেড়ে চিংড়ির নতুন এই পদ বাড়িতে তৈরি করতে গেলে কী করতে হবে? নীচে দেওয়া পদ্ধতি দেখে নিলেই হবে।

উপকরণ:

 

চিংড়ি মাছ: ৫০০ গ্রাম

আলু সেদ্ধ: ১৫০ গ্রাম

 

ধনেপাতা কুচি: ২ চামচ

 

রসুন বাটা: ১ চামচ

 

লঙ্কা গুঁড়ো: আধ চামচ

 

হলুদ গুঁড়ো: আধ চামচ

 

লেবুর রস: ১ চামচ

 

কাঁচালঙ্কা বাটা: ১ চামচ

 

নুন: স্বাদমতো

 

পেঁয়াজ কুচি: ১ কাপ

 

রসুন: ৬-৭ কোয়া

 

আদার টুকরো: আধ ইঞ্চি

 

কাজু: ৮-১০টি

 

টম্যাটো: ১টি

 

গোটা গরম মশলা: পরিমাণ অনুযায়ী

 

তেজপাতা: ১টি

 

লঙ্কা গুঁড়ো: ১ চামচ

 

হলুদ গুঁড়ো: আধ চামচ

 

ধনে গুঁড়ো: ১ চামচ

 

নারকেলের দুধ: ১ কাপ

 

নুন ও চিনি: স্বাদমতো

 

সর্ষের তেল: ৫ চামচ

প্রণালী:

 

১) প্রথমে চিংড়ির খোসা ছাড়িয়ে ভাল করে পরিষ্কার করে নিন।

 

২) চিংড়িগুলিকে মিক্সিতে ভাল করে বেটে নিন।

 

৩) এর পর বড় একটি পাত্রে চিংড়িবাটা, আলু সেদ্ধ, ধনেপাতা কুচি, রসুন বাটা, লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, লেবুর রস, কাঁচালঙ্কা বাটা ও নুন ভাল করে মিশিয়ে নিন।

 

৪) এ বার একটি কড়াইতে সামান্য তেল গরম হতে দিন। তার মধ্যে পেঁয়াজ কুচি, রসুন, আদার টুকরো, কাজু ও টোম্যাটো দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন।

 

৫) কষানো মশলা ঠান্ডা হলে মিক্সিতে বেটে রাখতে পারেন।

 

৬) এ বার কড়াইতে তেল গরম করে তার মধ্যে তেজপাতা ও গোটা গরম মশলা ফোড়ন দিয়ে মিক্সিতে বেটে রাখা মশলা দিন।

 

৭) ভাল করে কষিয়ে নিয়ে একে একে গুঁড়ো মশলাগুলিও দিয়ে নাড়তে থাকুন। তেল ছেড়ে এলে নারকেলের দুধ দিয়ে দিন।

 

৮) এ বার বেটে রাখা চিংড়ি মাছের মিশ্রণ বড়ার মতো গড়ে নিয়ে ঝোলের মধ্যে ছেড়ে দিন।

 

৯) মিনিট পাঁচেক ঢাকা দিয়ে ফুটতে দিন। গ্যাস বন্ধ করে উপর থেকে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন চিংড়ির মুইঠ্যা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।