৫ কারণ: শুধু রান্নায় নয়, সকালে উঠেই খেয়ে দেখুন কারিপাতা ভেজানো জল

16th February 2024 11:51 pm Country News
৫ কারণ: শুধু রান্নায় নয়, সকালে উঠেই খেয়ে দেখুন কারিপাতা ভেজানো জল


চানাচুর থেকে দক্ষিণী নানা রকম পদ— কারিপাতা ছাড়া ভাবাই যায় না। ইদানীং নেটপ্রভাবী পুষ্টিবিদদের মুখে কারিপাতার গুণগান শুনে রোজই সাধারণ ডাল, তরকারিতেও কয়েকটা করে এই পাতা ছড়িয়ে দেন। কারিপাতা খাবারে অন্য রকম মাত্রা যোগ করে। পুষ্টিবিদেরা বলেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি রোগবালাই দূরে রাখতে কারিপাতার যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু তা ভেজানো জল খাওয়াই দস্তুর।

কারিপাতা ভেজানো জল খেলে কী কী উপকার হয়?

 

১) খারাপ কোলেস্টেরল কমায়:

কোলেস্টেরলের সমস্যা অনেকেরই রয়েছে। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাঁড়ি কাঁড়ি ওষুধও খান অনেকে। কিন্তু তাতেও সব সময় সুস্থ থাকা সম্ভব হয় না। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভরসা হতেই পারে কারিপাতা। খালিপেটে কারিপাতা ভেজানো জল খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

 

২) দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে:

 

ভিটামিন এ চোখের যত্ন নেয়। এই ভিটামিন ভরপুর পরিমাণে রয়েছে কারিপাতায়। ফলে কারিপাতা ভেজানো জল খেলে দৃষ্টিশক্তি ভাল থাকে। চোখের বিভিন্ন সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।

৩) হজমশক্তি উন্নত করে:

 

কারিপাতার মধ্যে থাকা ফাইবার হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, অন্ত্র ভাল রাখতেও সাহায্য করে এই পানীয়। ফলে ওজন ঝরানোর কাজ অনেকটা সহজ হয়।

৪) শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে:

 

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত কারিপাতা খেলে রক্তে বাড়তি শর্করাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। মিষ্টি খাওয়ার ঝোঁক দমন করতেও সাহায্য করে কারিপাতা।

 

৫) লিভারের যত্নে:

 

অত্যধিক পরিমাণে বাইরের খাবার খাওয়ার ফলে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। লিভারের যত্ন নেয় কারিপাতা। লিভারকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে বাঁচায় কারিপাতা। কারিপাতায় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে ভরপুর পরিমাণে। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে বাঁচায়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।