বেসনের পাতলা প্যাকের বদলে সুগন্ধি শিট মাস্ক ব্যবহার করলে কি ত্বকের আদৌ কোনও উপকার হয়?

13th February 2024 11:06 pm Country News
বেসনের পাতলা প্যাকের বদলে সুগন্ধি শিট মাস্ক ব্যবহার করলে কি ত্বকের আদৌ কোনও উপকার হয়?


কাজ থেকে ফিরে ত্বকচর্চার জন্য এত খাটাখাটনি করতেও ইচ্ছা করে না। অথচ রোজ মুখের একটু যত্নআত্তি করলেই কিন্তু ছোট ছোট সমস্যাগুলি দূর করা যায়। চালের গুঁড়ো, হলুদ, টক দই কিংবা কফি, বেসন, মধু একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে মেখে, কাঠের মতো শুয়ে থাকার সময় নেই। ওই সব প্যাক মুখে মেখে যে হেঁশেলে ঢুকবেন, তারও উপায় নেই। আগুনের তাপ, গরমে প্যাক গলে জামাকাপড়ে মাখামাখি হয়ে যায়। এই সব ঝক্কির থেকে মুক্তি পেতে ইদানীং অনেকেই শিট মাস্ক ব্যবহার করেন। ঘরোয়া উপাদান বাদ দিয়ে রাসায়নিক দেওয়া শিট মাস্ক ব্যবহার করা কি আদৌ ভাল? এ বিষয়ে ত্বকের চিকিৎসকদের মত, ক্লিনজ়িং-টোনিং-ময়েশ্চারাইজ়িং বা এক্সফোলিয়েটের কোনও বিকল্প হতে পারে না। তবে কোথাও যাওয়ার আগে হাতে সময় কম থাকলে কিংবা কাজের সুবিধার জন্য মাঝেমধ্যে শিট মাস্ক ব্যবহার করা যেতেই পারে।

শিট মাস্ক ব্যবহার করলে ত্বকের ঠিক কী কী উপকার হয়?

 

১) ত্বকচর্চায় শিট মাস্কের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ার কারণ হল ব্যবহার করার সুবিধা। চিরাচরিত পদ্ধতিতে তৈরি ঘরোয়া প্যাক বা মাস্ক পোশাক নষ্ট করতে পারে। সেই সমস্ত ঝক্কি শিট মাস্কের ক্ষেত্রে সে ধরনের সমস্যা হওয়ার কথা নয়। যে কোনও জায়গায় বসে সহজেই শিট মাস্ক মুখে লাগিয়ে নেওয়া যায়।

২) ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে দারুণ কাজ করে এই শিট মাস্ক। ত্বকের প্রয়োজন বুঝে হায়ালুরনিক অ্যাসিড, কোলাজেন এবং ভিটামিনে ভরপুর এই মাস্ক নিষ্প্রাণ ত্বকের জেল্লা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

৩) সারা দিনের হাড়ভাঙা খাটনির পর ত্বকও একটু শীতল হতে চায়। তবে তার জন্য বেশি খাটতে হলেই ধৈর্যচ্যুতি ঘটবে। তার চেয়ে ভাল শিট মাস্ক। বেশি পরিশ্রম করার প্রয়োজন নেই। প্যাকেট কেটে মুখে উপর বসিয়ে দিলেই হল। রোদ থেকে ফিরে আসার পর ত্বকের জ্বালাপোড়া ভাব নিরাময় করেতও সাহায্য করে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।