ডিম ছাড়াই তৈরি করে নিন সুস্বাদু কেক

13th February 2024 7:57 pm Country News
ডিম ছাড়াই তৈরি করে নিন সুস্বাদু কেক


কেক খেতে সকলেই পছন্দ করে।কিন্তু যারা ডিম খান না,তাদের জন্য কেক খাওয়া একটু সমস্যা হয়ে যায়।কারণ বেশিরভাগ কেক তৈরিতেই ডিম ব্যবহার করা হয়।আজ আমরা নিয়ে এসেছি ডিম ছাড়াই একটি সুস্বাদু ও মজাদার কেক তৈরির প্রক্রিয়া।দেখে নিন এবং তৈরি করে ফেলুন ঝটপট।উপকরণ -

২ কাপ ময়দা,

১ কাপ গুঁড়ো চিনি,

১২ কাপ কিশমিশ,

১২ কাপ আখরোট,

১ কাপ গলিত মাখন,

১২ কাপ কনডেন্সড মিল্ক,

১২ কাপ টুটি ফ্রুটি,

১২ কাপ দুধ,

৫ টি ছোট এলাচ,

১০ টি চেরি,

২০ টি খোসা ছাড়ানো বাদাম,কুচি করে কাটা,

১ চা চামচ বেকিং পাউডার,

১ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

তৈরির প্রক্রিয়া -

কিশমিশ,আখরোট এবং ছোট এলাচ ভালো করে পরিষ্কার করে পিষে গুঁড়ো তৈরি করে নিন।ময়দা এবং বেকিং পাউডার একসাথে মিশিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিন।এই মিশ্রণে গলিত মাখন,গুঁড়ো চিনি এবং কনডেন্সড মিল্ক যোগ করে ভালোভাবে মেশান এবং মিশ্রণটি বিট করুন।একই মিশ্রণে তৈরি করে রাখা কিশমিশ-আখরোটের পাউডার,বাদাম ও আখরোটের টুকরো,টুটি ফ্রুটি এবং ভ্যানিলা এসেন্স যোগ করুন।মিশ্রণটি ঘন মনে হলে এতে সামান্য দুধ যোগ করুন।কেক তৈরির মিশ্রণ রেডি । একটি কেক তৈরির পাত্র নিন এবং মাখন দিয়ে গ্রিজ করুন।এতে কেকের মিশ্রণটি দিয়ে পাত্রটিকে মাইক্রোওয়েভে ৪-৫ মিনিট রাখুন।কিছুক্ষণ পর মাইক্রোওয়েভ থেকে কেকটি বের করে নিন।ঠাণ্ডা হলে ছুরির সাহায্যে বের করে চেরি,বাদামের টুকরো এবং কিশমিশ দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার কেক।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।