বিয়েবাড়িতে ঢাকাই, বেনারসি, জর্জেটের সঙ্গে কেমন গয়না পরলে সাজে আসবে চমক?

9th February 2024 12:30 pm Country News
বিয়েবাড়িতে ঢাকাই, বেনারসি, জর্জেটের সঙ্গে কেমন গয়না পরলে সাজে আসবে চমক?


চলছে বিয়ের মরসুম। নিজের এখন বিয়ে করার কোনও ইচ্ছে না থাকলেও, বিয়ের নিমন্ত্রণ পাওয়ার ইচ্ছে কিন্তু মনে ষোলো আনা। বিয়েবাড়ি মানেই তো জমিয়ে ভূরিভোজ ও প্রচুর সাজগোজ। সুন্দর একটা শাড়ি, গয়না, খোঁপায় ফুলেল সাজ— খুব বেশি সাজতে না চাইলে আবার ওইটুকুই যথেষ্ট। তবে শাড়ির সঙ্গে যদি মানানসই গয়না না পরেন, তা হলে কিন্তু গোটা সাজটাই মাটি হয়ে যেতে পারে। যদি চান বিয়েবাড়িতে ভিড়ের মাঝেও সবার নজর আপনার দিকেই থাকে তা হলে গয়না নিয়েও একটু ভাবতে হবে বইকি। জেনে নিন কী ধরনের সাজের সঙ্গে কেমন গয়না পরবেন।

১) বিয়েবাড়িতে যদি বেনারসি কিংবা জামদানি পরেন তা হলে সঙ্গে সোনার গয়না মানায় ভাল। লম্বা সীতাহার কিংবা লহরি, কানবালা, হাতে বালা কিংবা চূড় একেবারে সনাতনী সাজে সেজে ফেলতে পারেন। এখন অবশ্য গোল্ড প্লেটেড গয়নাও ভী‌ষণ ‘ইন’। পরতে পারেন সেগুলিও।

 

২) কাতান বা ব্রোকেডের শাড়ির সঙ্গে টেম্পল জুয়েলারি বা পাথর বসানো গয়না ভাল মানাবে।

৩) নেট শাড়ির সঙ্গে ভাল মানাবে পাথর বা হিরের গয়না। হালকা কাজের শাড়ির সঙ্গে বেছে নিন জমকালো ভারী কাজের গয়না। এতে গয়নার সৌন্দর্য ফুটে উঠবে বেশি করে। জর্জেটের শাড়ির সঙ্গে একটু আলাদা সাজতে চাইলে বেছে নিতে পারেন অক্সিডাইজ়ড গয়না।

৪) বাংলার সিল্কের শাড়ির সঙ্গে বেছে নিতে পারেন অ্যান্টিক ব্রাশ গয়না। সিল্কের শাড়ির সঙ্গে মুক্তোর গয়নাও বেশ মানায়। বিষ্ণুপুরি হোক বা মুর্শিদাবাদি সিল্ক— মুক্তোর হার, দুল কিংবা ব্রেসলেটের সঙ্গে পরে ফেলতেই পারেন।

 

৫) অনেকের আবার খুব বেশি জমকালো সাজ পছন্দ নয়। সে ক্ষেত্রে হ্যান্ডলুম শাড়ির সঙ্গে পরতে পারেন জাঙ্ক জুয়েলারি বা আফগানি গয়না। হাতে পরে ফেলতে পারেন একরঙা চুড়ি। কাপড়ের তৈরি গয়নাও এখন ফ্যাশনে ভীষণ ‘ইন’। হ্যান্ডলুম শাড়ির সঙ্গে এই রকম গয়নাও পরে ফেলতে পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।