কম বয়সেই বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি! শরীরচর্চা ছাড়াও কিছু পানীয় খান নিয়ম করে

7th February 2024 1:38 pm Country News
কম বয়সেই বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি! শরীরচর্চা ছাড়াও কিছু পানীয় খান নিয়ম করে


হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর সংখ্যা যে হারে বাড়ছে, তাতে হার্টের যত্ন নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মতো ক্রনিক রোগের হাত ধরে হার্টের সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। হার্ট অ্যাটাক এখন আর বয়স দেখে হয় না। কমবয়সিদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। জিনগত কারণে বা জন্মগত ভাবে হার্টের রোগ থাকলে সেটা আলাদা বিষয়। কিন্তু দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস অতর্কিতে হার্ট অ্যাটাকের নেপথ্যে থাকতে পারে। হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে শরীরচর্চা করতে বলেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু শুধু শরীরচর্চা করলে হবে না। হার্টের খেয়াল রাখতে ভরসা রাখতে হবে কিছু পানীয়ে।

বেদানার রস

 

বেদানায় অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে ভরপুর পরিমাণে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেদানা কিন্তু ওষুধের মতো কাজ করে। একসঙ্গেই কোলেস্টেরলও বাড়তে দেয় না। কোলেস্টেরল আর উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকলে হার্টের সমস্যা কমবে।

বিট

 

হার্টের জন্য আরও একটি স্বাস্থ্যকর খাবার হল বিট। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, মিনারেলসে সমৃদ্ধ বিট রক্তচাপের মাত্রা কমায়। রক্ত চলাচল সচল রাখে। রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না। ফলে হার্টের কোনও সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

বেরি

 

হার্টের যত্ন নিতে বেরি অত্যন্ত উপকারী একটি ফল বেরি। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ছাড়াও এমন কিছু উপাদান রয়েছে বেরিতে, যেগুলি হার্টের খেয়াল রাখতে অব্যর্থ। ওষুধ তো খাবেনই, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ীও চলবেন। পাশাপাশি, এই পানীয়গুলিও খেতে হবে। উপকার পাবেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।